টালিউডের পরিচালক অরিন্দম শীলের বিরুদ্ধে ওঠা #মিটু বিতর্কে ঘি ঢাললেন পরিচালকের প্রথম স্ত্রী তনুরুচি শীল।
কিছু দিন আগে অভিনেত্রী রূপাঞ্জনা মিত্র পরিচালকের বিরুদ্ধে অশালীন আচরণের অভিযোগ তুলেছিলেন।
টিভি সিরিজের স্ক্রিপ্ট পড়ার অছিলায় অরিন্দম তার গায়ে হাত দেন বলে অভিযোগ। রূপাঞ্জনার বক্তব্য, ‘ফাঁকা অফিসে আমাকে ডাকেন। তারপরেই ওই অসভ্যতামি। সে সময়ে ওর স্ত্রী শুক্লা (শীল) এসে যায়। সঙ্গে সঙ্গে ওর ভোল বদলে যায়।’
অবশ্য অরিন্দম এই অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, মিথ্যে বলার একটা মাত্রা রয়েছে।’
তবে এই মিটু বিতর্কে রূপাঞ্জনার পাশে দাঁড়িয়েছেন তনুরুচি শীল। তনুরুচির বক্তব্য, তার সঙ্গে পরিচালকের আইনি বিচ্ছেদ হয়নি। একসঙ্গে অভিনয়ের সূত্রে তনুরুচি আর অরিন্দমের আলাপ এবং প্রেম।
১৯৯২ সালে তাদের সামাজিক বিয়ে হয়, ’৯৩ সালে রেজিস্ট্রি। কিন্তু ২০০৩ সালে অরিন্দম ডিভোর্সের মামলা দায়ের করেন। সেই মামলা গত বছর খারিজ হয়ে যায় বলে জানালেন তনুরুচি।
তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় রূপাঞ্জনার সমর্থনে পোস্ট করেছেন। তার কথায়, ‘আমি অরিন্দম শীলের স্ত্রী। কিন্তু উনি আমার সঙ্গে তঞ্চকতা করেছেন। উনি থাকেন শুক্লা দাসের সঙ্গে।’ ‘সকলে যাতে অরিন্দমের আসল ছবিটা দেখতে পায়, সেই কারণেই রূপাঞ্জনার পাশে দাঁড়িয়েছি’ মত তনুরুচির। একটি বেসরকারি সংস্থায় তনুরুচি এবং শুক্লা একই সময়ে চাকরি করতেন। সেই সূত্রেই অরিন্দম-শুক্লার ঘনিষ্ঠতা হয় বলে দাবি তার।
এ বিষয়ে অরিন্দম বলেন, ‘আমার ব্যক্তিগত জীবন এই প্রসঙ্গে কেন উঠে আসছে জানি না। শুক্লা, মেয়ে সোনিকা আমার সবকিছু, এটুকু বলতে পারি।’
সোশ্যাল মিডিয়ায় বিষয়টি তুলে ধরার জন্য তিনি তনুরুচির বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করার কথাও ভাবছেন বলেও জানালেন পরিচালক।
