নারী কোটার বিষয়টি যথাযথভাবে অনুসরণ না করায় ২০১৯ সালের প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ার কিশোরগঞ্জ ও লক্ষ্মীপুরের চ‚ড়ান্ত ফলাফল স্থগিত করেছে হাইকোর্ট।
আলাদা রিট আবেদনের ওপর শুনানি নিয়ে সোমবার বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি মো. মাহমুদ হাসান তালুকদারের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ স্থগিতাদেশ দেয়।
এর মধ্যে কিশোরগঞ্জের ৪৬৩ জনের চ‚ড়ান্ত ফল স্থগিত করেছে আদালত। এ জেলায় নিয়োগবঞ্চিত ১৪ নারী প্রার্থীর করা রিট আবেদনের ওপর শুনানি শেষে এ আদেশ আসে। আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী এ এম জামিউল হক ফয়সাল। অন্যদিকে লক্ষ্মীপুরে নিয়োগবঞ্চিত চার নারী প্রার্থীর করা আবেদনের ওপর শুনানি নিয়ে ওই জেলায় চ‚ড়ান্তভাবে নিয়োগ পাওয়া ২৯২ জনের নিয়োগ প্রক্রিয়া স্থগিত করে হাইকোর্ট। আবেদনের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী আব্দুস সাত্তার পালোয়ান।
আইনজীবীরা জানান, প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা-২০১৩-এর ৭ ধারা অনুযায়ী, সরাসরি নিয়োগযোগ্য পদগুলোর ৬০ শতাংশ নারী প্রার্থী দ্বারা, ২০ শতাংশ পোষ্য প্রার্থী এবং বাকি ২০ শতাংশ পুরুষ প্রার্থীদের দ্বারা পূরণ করতে হবে। কিন্তু গত বছরের ২৪ ডিসেম্বর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা চ‚ড়ান্ত ফলাফলের ড়্গেত্রে সেটি অনুসরণ করা হয়নি।
নারী কোটার বিষয়টি যথাযথ অনুসরণ না করায় গত মাসের বিভিন্ন সময়ে ঢাকা, গাজীপুর, নীলফামারী, পটুয়াখালী, কক্সবাজারসহ অন্তত ২৫টি জেলার প্রাথমিকে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ার চ‚ড়ান্ত ফলাফল স্থগিত করে হাইকোর্ট।
