অস্ত্র ও অর্থ পাচার মামলায় গ্রেপ্তার যুবলীগ নামধারী ঠিকাদার জি কে শামীমের চার দেহরক্ষীকে জামিন দেয়নি হাইকোর্ট। তবে জামিন প্রশ্নে রুল দিয়েছে আদালত। কেন তাদের জামিন দেওয়া হবে না তা ১০ দিনের মধ্যে সংশ্লিষ্টদের জানাতে বলা হয়েছে। বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কে এম হাফিজুল আলমের হাইকোর্ট বেঞ্চ গতকাল সোমবার এ রুল দেয়। আবেদনকারী চার আসামি হলেন মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম, শহীদুল ইসলাম, কামাল হোসেন ও সামসাদ হোসেন।
আদালতে তাদের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী শামীম সরদার। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পক্ষে ছিলেন আইনজীবী খুরশীদ আলম খান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ কে এম আমিন উদ্দিন মানিক ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল হেলেনা বেগম চায়না। গত বছরের ২৪ ডিসেম্বর ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে তাদের জামিনের আবেদন নামঞ্জুর হয়। এরপর তারা হাইকোর্টে জামিন চেয়ে আবেদন করেন।
গত বছরের ২০ সেপ্টেম্বর রাজধানীর গুলশান নিকেতনে নিজ কার্যালয় থেকে জি কে শামীম ও তার সাত দেহরক্ষীকে গ্রেপ্তার করে র্যাব। অভিযানে নগদ প্রায় ২ কোটি, পৌনে ২০০ কোটি টাকার এফডিআর, আগ্নেয়াস্ত্র ও মদ উদ্ধার করে র্যাব। পরদিন গুলশান থানায় তাদের বিরুদ্ধে তিনটি মামলা করা হয়। এর মধ্যে অস্ত্র ও অর্থ পাচার মামলায় সবাইকে আসামি করা হয়। মাদক আইনের মামলায় শুধু জি কে শামীমকে আসামি করা হয়।
