বয়স হয়নি দেখে মেয়েকে বিয়ে দিতে রাজি হয়নি পরিবার। নাছোড় বান্দা পাত্র এবার স্কুলছাত্রীকে দেয় প্রেমের প্রস্তাব। এতেও সাড়া না পেয়ে ওই কিশোরীকে হত্যা করে আত্মহত্যা করেছে ওই যুবক।
ভারতের পশ্চিমবঙ্গে পূর্ব বর্ধমানের দুর্গাপুরে চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে বলে জানিয়েছে জি নিউজ।
নিহত মিতা কুণ্ডু দশম শ্রেণির ছাত্রী। আর ওই যুবকের নাম অমিত শিট।
জানা গেছে, দুর্গাপুরের নিউটাউনশিপ এলাকার বাসিন্দা স্কুলপড়ুয়া মিতা কুণ্ডুর সঙ্গে একবার সম্বন্ধ দেখা হয়েছিল অমিতের। কিন্তু মেয়ে সবে দশম শ্রেণির ছাত্রী। মাধ্যমিক পরীক্ষা দেবে। এখনো ১৮ বছর হয়নি।
তাই সম্বন্ধ দেখা হলেও শেষে বিয়ে থেকে পিছিয়ে আসে মেয়ের বাড়ির লোক। মেয়ের মা জানিয়ে দেয়, মেয়ে নাবালিকা। এখন বিয়ে হবে না।
আর এতেই গন্ডগোলের সূত্রপাত। কিশোরী মিতাকে মনে ধরে গিয়েছিল পাত্র অমিতের। দশম শ্রেণির ছাত্রীকে প্রেম প্রস্তাবও দেন অমিত। কিন্তু সেই প্রস্তাবও ফিরিয়ে দেয় স্কুলছাত্রী মিতা।
অভিযোগ, প্রেমে প্রত্যাখ্যাত হয়ে এরপরই ওই ছাত্রীর বাড়িতে চড়াও হন অভিযুক্ত পাত্র কাম প্রেমিক অমিত। বাড়িতে ঢুকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে গলা কেটে খুন করে ওই ছাত্রীকে।
এরপর নিজেও হাতে ও পেটে ছুরি চালিয়ে দেন অমিত। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় স্কুলছাত্রী মিতার। অন্যদিকে, গুরুতর জখম অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয় অমিতকে। পরে সেখানেই তার মৃত্যু হয়।
