পিন্ডিতে হারের বৃত্ত ভাঙতে চান মুমিনুল

আপডেট : ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ০৮:০০ পিএম

শেষ ৫ টেস্টের সব কটিতেই হার বাংলাদেশের। সাদা পোশাকে সময়টা কেমন যাচ্ছে টাইগারদের তা বোঝাতে এই একটা তথ্যই যথেষ্ট। পাকিস্তানের বিপক্ষে আবার এখন পর্যন্ত ১০ টেস্ট খেলে ৯টিতেই হার। পরিসংখ্যান যখন এসব খচখচানি তথ্য দিয়ে যাচ্ছে, তখন ব্যর্থতার বৃত্ত থেকে বেরিয়ে আসার ছক কষছেন বাংলাদেশ অধিনায়ক মুমিনুল হক।

শুক্রবার রাওয়ালপিন্ডিতে নতুন বছরে প্রথম টেস্ট খেলতে নামবে টাইগাররা। পাকিস্তানের বিপক্ষে এই টেস্ট দিয়েই হারের বৃত্ত ভাঙতে চান বাংলাদেশ অধিনায়ক। ম্যাচটি শুরু হবে বাংলাদেশ সময় সকাল ১১টায়।

বৃহস্পতিবার ম্যাচ পূর্ব সংবাদ সম্মেলনে মুমিনুল বললেন, ‘একটা সময় না একটা সময় তো এই বৃত্তটা ভাঙতেই হবে। ইনশা আল্লাহ আমরা এই বৃত্ত ভাঙার জন্য সবাই প্রস্তুত। সবাই খুব ভালো প্রস্তুতি নিয়েছে। সেই হিসেবে চিন্তা করলে আমরা খুব আশাবাদী এই ম্যাচটা নিয়ে।’

বাংলাদেশ সবশেষ টেস্ট জিতেছে ২০১৮ সালের নভেম্বরে। ঘরের মাঠে সেবার ওয়েস্ট ইন্ডিজকে দুই ম্যাচের সিরিজে হোয়াইটওয়াশ করে টাইগাররা। ঢাকায় দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে জয়টা তো ছিল ইনিংস ব্যবধানে।

কিন্তু এরপর টানা তিন সিরিজে হার। নিউজিল্যান্ড সফরে গিয়ে শূন্য হাতে ফিরে আসা। ঘরের মাঠে আফগানিস্তানের বিপক্ষে একমাত্র টেস্টে হারের লজ্জা। এরপর ভারত সফরে গিয়েও একই দশা। হার দুই ম্যাচেই।

মুমিনুল যতই হারের বৃত্ত ভাঙার কথা বলুন, আদতে কাজটা কঠিন। বিদেশের মাটিতে যে বরাবরই সংগ্রাম করতে হয় বাংলাদেশকে। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ২০১৭ সালে সবশেষ গল টেস্টে জয়ের পর বিদেশে আর সুখস্মৃতি নেই।

মুমিনুলও অবশ্য সেটি বললেন। তারপরও পিন্ডি টেস্টে নতুন শুরু চান তিনি, ‘সবাই জানেন বিদেশে আমাদের সেভাবে ভালো পারফর্ম হয়নি। আমরা চেষ্টা করছি এই জিনিসটা এখান থেকে শুরু করার। ওভার অল আমরা খুব ভালো ফোকাসে আছি। আশা করি খুব ভালো ক্রিকেট খেলতে পারব।’

বাংলাদেশ দল এ মাসে দ্বিতীয় দফায় পাকিস্তান সফর করছে। এর আগে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলে ফিরে আসে। সেই সিরিজে হোয়াইটওয়াশ হয় টাইগাররা।

এই দফায় একমাত্র টেস্ট খেলে ফিরবে দল। এপ্রিলে আরেক দফায় পাকিস্তানে গিয়ে খেলতে একটি ওয়ানডে ও একটি টেস্ট।

এবার টেস্ট শুরুর মাত্র দুদিন আগে পাকিস্তানে পৌঁছে বাংলাদেশ দল। বৃহস্পতিবার অনুশীলন করে শুক্রবার ম্যাচ। কন্ডিশনের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়াটা তাই বড় চ্যালেঞ্জ।

মুমিনুল অবশ্য ইতিবাচক থাকতে চাচ্ছেন, ‘যেই দেশেই যাবেন আপনাকে কন্ডিশনের সঙ্গে মানিয়ে নিতে হবে। আমরা যত দ্রুত সম্ভব পারি কন্ডিশনের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছি।’

‘আমার কাছে মনে হয় কন্ডিশন ভালো আছে। হয়তো একটু ঠান্ডা আছে। আশকরী আমরা মানিয়ে নিতে পারব।’- যোগ করেন মুমিনুল।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত