চাইনিজ সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশনের (সিডিসি) এক সমীক্ষা বলছে, ১১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত করোনাভাইরাসের শিকার হয়েছে ৩ হাজার ১৯ স্বাস্থ্যকর্মী। তবে পরের সাত দিনের তথ্য এই সংস্থার হাতে নেই।
এরই মধ্যে জানা গেছে, সোমবার করোনাভাইরাসে মারা গেছেন চীনের উহানের উচ্যাং হাসপাতালের পরিচালক লিউ ঝিমিং। তবে একাধিক চীনা মিডিয়া এ খবর প্রকাশ করলেও অস্বীকার করেছে হুবেইয়ের হেলথ কমিশন।
এ মহামারির বিরুদ্ধে চীনা চিকিৎসকদের নেতৃত্ব দিয়ে যাচ্ছিলেন ডা. লিয়াং উদং। গত মাসের শেষ দিকে সেই করোনাভাইরাসের আক্রমণেই এ ৬২ বছর বয়সী চিকিৎসকের মৃত্যু বেশ আলোচিত হয়।
সম্প্রতি চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং স্বাস্থ্যকর্মীদের সঙ্গে দেখা করে তাদের আরও উদ্যম নিয়ে কাজ করে যাওয়ার কথা বলেন।
দেশটিতে ২০১৯ সালের শেষ দিক থেকেই করোনাভাইরাস ক্রমে মাথাচাড়া দিতে শুরু করে। নতুন বছরের গোড়ায়, তা আরও ভয়াল আকার নেয়। আক্রান্তদের সেবা দিতে কঠোর পরিশ্রম করে যাচ্ছেন স্বাস্থ্যকর্মী। যার প্রভাব অনেকের মানসিক স্বাস্থ্যেও পড়েছে বলে একাধিক প্রতিবেদনে জানা যায়।
এ দিকে চীনে করোনাভাইরাসে রবিবার আরও ১০৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে দেশটির মূল ভূখণ্ডে মৃতের সংখ্যা ১ হাজার ৭৭০ জনে দাঁড়িয়েছে। এ দিন নতুন করে আরও ২ হাজার ৪৮ জন এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে। এ নিয়ে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭০ হাজার ৫৪৮ জনে।
আল জাজিরা জানায়, নতুন করে নিহতদের ১০০ জনই প্রথমে করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়া হুবেই প্রদেশের। আর নতুন আক্রান্ত ১ হাজার ৯৩৩ জনই এই প্রদেশের।
এদিকে ভাইরাস ছড়িয়ে পড়া নিয়ন্ত্রণে হুবেই কর্তৃপক্ষ আরও কঠিন পদক্ষেপ ঘোষণা করেছে। সব ধরনের ব্যক্তিগত যানবাহনের জন্য প্রদেশের শহরগুলোর সড়ক বন্ধ করে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
চীন ছাড়াও বর্তমানে ভারত, যুক্তরাষ্ট্র-সহ ২৪টিরও বেশি দেশে ছড়িয়ে পড়েছে করোনাভাইরাস।
