নদীতে ময়লা-আবর্জনা ফেলা যাবে না : নৌ প্রতিমন্ত্রী

আপডেট : ১৬ মার্চ ২০২০, ১২:২৩ এএম

নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, নদীতে কোনোভাবেই ময়লা-আবর্জনা ফেলা যাবে না। নদীর তীর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। নদীতে যেন পানির প্রবাহ থাকে সে বিষয়ে সকলকে সচেষ্ট থাকতে হবে।

রবিবার নৌ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে টঙ্গী এলাকায় তুরাগ নদের রেলওয়ে ও সড়ক সেতুর নিচে এবং তৎসংলগ্ন এলাকায় নদীর তীর থেকে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ, নদীতে আবর্জনা ফেলা বন্ধ, নদীর পানিদূষণ রোধ ও পানিপ্রবাহে সৃষ্ট প্রতিবন্ধকতা দূর করা সংক্রান্ত এক বৈঠকে প্রতিমন্ত্রী এ কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, নদীতীরের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদকৃত জায়গা বিআইডবিস্নউটিএর দখলে আছে। এখন নদীতে ময়লা-আবর্জনা ফেলা নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। ময়লা-আবর্জনার কারণে নদীগুলোর প্রবাহ বন্ধ বা ভাগাড়ে পরিণত হলে নদীতীরের জনপদ বসবাসের অনুপযোগী হয়ে পড়বে।

নদীতীরের অবৈধ স্থাপনা অপসারণ অব্যাহত রাখা হবে জানিয়ে খালিদ মাহমুদ বলেন, নদীতীরের সীমানা পিলার এখন দৃশ্যমান। নদীতীর রক্ষা, দখল ও দূষণ রোধে প্রকল্পের কাজ চলছে। নদীর পানিদূষণ রোধে বিআইডবিস্নউটিএ ঢাকায় বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে ময়লা পানি পরিষ্কারের জন্য (দূষিত পানি ফিল্টারিং করা) পাইলট প্রকল্প গ্রহণ করেছে। পর্যায়ক্রমে এর কার্যক্রম আরও বাড়ানো হবে। নদীর পানিদূষণ রোধ ও দখলমুক্ত করতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী একসঙ্গে এক ছাতার নিচে কাজ করব।

 টঙ্গী এলাকায় তুরাগ নদে ময়লা-আবর্জনা ফেলা বন্ধে বিআইডবিস্নউটিএ কর্তৃক ড্রেনের মুখে (নদীর তীর অংশে) নির্মিত নেটের ভেতরের পলিথিন বর্জ্য পরিষ্কার এবং ড্রেনগুলো ঢেকে রাখার ব্যবস্থা করতে গাজীপুর সিটি করপোরেশন কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

বৈঠকে মন্ত্রী জানান, বাজারে পলিথিনের ব্যবহার ও বাজারজাত রোধ এবং শিল্প প্রতিষ্ঠানের দূষিত পানি পরিষ্কারের জন্য যন্ত্রপাতি চালু রাখার বিষয়ে পরিবেশ অধিদপ্তর এবং জেলা ও পুলিশ প্রশাসন যৌথভাবে কাজ করবে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন গাজীপুর সিটি করপোরেশনের মেয়র মো. জাহাঙ্গীর আলম, নৌপরিবহন সচিব মোহাম্মদ মেজবাহ্‌উদ্দিন চৌধুরী, বিআইডবিস্নউটিএ’র চেয়ারম্যান কমোডর গোলাম সাদেক, পরিবেশ অধিদপ্তরের ড. এ কে এম রফিক আহাম্মদ প্রমুখ।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত