করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) থেকে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত দেশের সকল হোটেল-রেস্তোরাঁ বন্ধের সিদ্ধান্ত নিলেও অনিবার্য কারণে তা প্রত্যাহার করা হয়েছে।
বাংলাদেশ রেস্তোরাঁ মালিক সমিতির প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়। তারা জানায়, যদি হোটেল-রেস্তোরাঁ বন্ধ করা হয় তা পরবর্তীতে জানানো হবে।
এর আগে, সারা দেশের শপিংমল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি। তবে ওষুধ ও খাবার সামগ্রী বিক্রি হওয়া বাজার, দোকান বা মার্কেট এ সিদ্ধান্তের আওতায় পড়বে না বলে জানানো হয়।
এদিকে করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় ২৬ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত পুলিশ ও হাসপাতাল সেবা বাদে দেশের সকল সরকারি বেসরকারি অফিস-আদালত বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।
করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় সারা দেশে গণপরিবহন লকডাউন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। তবে ট্রাক, কাভার্ডভ্যান, ওষুধ, জরুরি সেবা, জ্বালানি, পচনশীল পণ্য পরিবহন- এ নিষেধাজ্ঞার বাইরে থাকবে।
সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের উপপ্রধান তথ্য অফিসার মো. আবু নাছের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়।
রেলওয়ে কর্তৃপক্ষও এক ঘোষণায় জানায়, করোনাভাইরাস পরিস্থিতির কারণে পরবর্তী ঘোষণা না দেওয়া পর্যন্ত বাংলাদেশ রেলওয়ে পূর্ব ও পশ্চিমাঞ্চলের সকল লোকাল ও মেইল ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকবে। পর্যায়ক্রমে বাকিগুলো বন্ধ করা হবে।
বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন ৩ জন। আক্রান্ত হয়েছেন ৩৩ জন। আক্রান্তদের মধ্যে একজন চিকিৎসক এবং দুজন নার্সও রয়েছেন।
