প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে (কভিড-১৯) সবচেয়ে ঝুঁকিতে আছেন বয়স্করা। যাদের আগে থেকেই শারীরিক জটিলতা আছে, তারা বেশি মারা যাচ্ছেন। তবে আশার কথা শুনিয়েছে রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট-আইইডিসিআর।
সোমবার অনলাইন ব্রিফিংয়ে আইইডিসিআর পরিচালক মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে আরও চার করোনা আক্রান্ত সুস্থ হয়েছেন।
তিনি জানান, আক্রান্ত এ চারজনের মধ্যে একজনের বয়স ৮০ বছর। আর দুজন ষাটোর্ধ্ব। তাদের তিনজনের অ্যাজমা, উচ্চরক্তচাপ এবং ডায়াবেটিসের মতো রোগ ছিল। দুজন বাসায় থেকে চিকিৎসা নিয়েই সুস্থ হয়েছেন।
এ সময় আইইডিসিআর পরিচালক বলেন, করোনা প্রাদুর্ভাবের সময় বয়োবৃদ্ধদের নিজেদের একটু বেশি যত্ন নেওয়া প্রয়োজন। কেবল বাড়িতে নয়, তাদের উচিত একটি ঘরে থাকা।
সবাইকে বাসাবাড়িতে থাকার পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, করোনা একটি বৈশ্বিক মহামারি। যতদিন সারা বিশ্বে তা শূন্যে না নেমে আসবে, প্রতিরোধ কার্যক্রম মেনে চলতে হবে। আমরা ১০ দিন যে সামাজিক বিচ্ছিন্ন অবস্থা ঘোষণা করেছি তা মানতে হবে।
মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা বলেন, একদিন আক্রান্ত শনাক্ত না হলেই বলা যাবে না ঝুঁকি মুক্ত হয়ে গেছি। ঘরে থাকুন, বের হবেন না। অত্যাবশ্যকীয় কাজ থাকলে মাস্ক পরে বের হন। হাসপাতালে দৌড়াদৌড়ি না করে আইইডিসিআরের হটলাইনে যোগাযোগ করলে বাড়িতে বসেই চিকিৎসা যাওয়া যাবে।
এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে আরও একজন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। এ নিয়ে দেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৪৯ জনে দাঁড়িয়েছে। টানা দুদিন পর দেশে করোনা আক্রান্ত শনাক্ত হলো। করোনায় আর কেউ মারা না যাওয়ায় মৃতের সংখ্যা ৫ জনই রয়েছে।
