কক্সবাজারের পেকুয়ায় শহীদুল ইসলাম (৩২) নামের এক চিংড়ি চাষিকে মারধর করে চোখ তুলে নেওয়ার চেষ্টার ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
বুধবার রাত ৯টার দিকে পেকুয়া উপজেলার উজানটিয়া ইউনিয়নের টেকপাড়ায় একটি চিংড়ি প্রকল্পে এ ঘটনা ঘটে।
শহীদুল ইসলাম চকরিয়া উপজেলার বদরখালী ইউনিয়নের ১নং ব্লকের আবদু জব্বারের ছেলে।
পুলিশ তাকে প্রথমে পেকুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরে অবস্থার অবনতি হলে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়।
শহীদুল ইসলামের বড় ভাই নুরুল আলম জানান, শহীদুল ইসলাম একজন চিংড়ি চাষি। পেকুয়া উপজেলার উজানটিয়া ইউনিয়নের টেকপাড়া এলাকায় চিংড়ি চাষি শহীদুল ইসলাম প্রায় ১০ বছর ধরে চিংড়ি চাষ করে আসছেন।
উজানটিয়ার টেকাপাড়ার ওই চিংড়ি প্রকল্পে তিনি থাকেন। উজানটিয়ার কিছু সশস্ত্র ব্যক্তি বুধবার রাত ৯টার দিকে শহীদুল ইসলামের চিংড়ি লুটপাট করতে যায়।
এ সময় শহীদুল ইসলাম তাদেরকে চিংড়ি প্রকল্পের পাশের বেড়িবাঁধের উপরে বাধা দেয়। একপর্যায়ে ওই সশস্ত্র ব্যক্তিরা মারধর করে শহীদুল ইসলামের চোখ তুলে নেয়ার চেষ্টা চালায়। এতে শহীদুল ইসলাম গুরুতর আহত অবস্থায় অজ্ঞান হয়ে মাটিতে পড়ে থাকে।
হামলাকারীরা শহীদুল ইসলামের পাশে একটি লম্বা বন্দুক ও কয়েক রাউন্ড কার্তুজ রেখে ডাকাত ধরা খেয়েছে প্রচার দিয়ে পেকুয়া থানা পুলিশকে খবর দেন।
রাতে পেকুয়া থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে গুরুতর আহত চিংড়ি চাষি শহীদুল ইসলামকে উদ্ধার করে পেকুয়া থানায় নিয়ে যায়।
উজানটিয়া ইউপি চেয়ারম্যান এটিএম শহীদুল ইসলাম চৌধুরী জানান, চকরিয়া উপজেলার বদরখালীর ওই শহীদুল ইসলাম উজানটিয়ার এলাকার এক লোককে মারধর করে। পরে এলাকার মানুষ উত্তেজিত হয়ে টেকপাড়ায় ওই প্রকল্পের পাশে গেলে শহীদুল ইসলাম তাদেরকে অবৈধ বন্দুক উঁচিয়ে তাড়া করার চেষ্ট করে। এ সময় উত্তেজিত জনতা তাকে ধরে মারধর করে।
পেকুয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মো. কামরুল আজম জানান, শহীদুল ইসলামকে প্রথমে পেকুয়া হাসপাতাল পরে অবস্থার অবনতি হলে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়েছে। কী কারণে এ ঘটনা ঘটেছে তা এখনও নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। তদন্ত করে পরে বিস্তারিত জানানো হবে।
