ঘড়ির কাঁটায় তখন ভোর সাড়ে ৫টা। সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট শেখ সালাউদ্দীন দিপুর নেতেৃত্বে মোবাইল কোর্ট টিম এসেছে গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার বেদগ্রাম বাজার পরিদর্শনে। রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালনকালীন তার মানবিক দৃষ্টি বয়স্ক সবজি বিক্রেতাদের দিকে।
শুক্রবার সকালে করোনাভাইরাস মোকাবেলায় বাজার ঘুরে ঘুরে ব্যবসায়ী ও ক্রেতাদের সচেতন করার পাশিপাশি বয়স্ক সবজি বিক্রেতাদের খোঁজখবর নেন শেখ সালাউদ্দীন দিপু। তাৎক্ষণিক তিনি তাদের মাঝে খাদ্য সহায়তা (উপহার) প্রদান করেন।
বাজার পরিদর্শন শেষে ছবিসহ তিনি তার ব্যক্তিগত ফেসবুকে একটি পোস্ট দেন। সেখানে লেখেন- এই মানুষগুলোর জীবনের কোনো দাম নেই!
ভোর ৫.৪০ এ আসছেন ওনারা। বেদগ্রাম বাজার পাশে একটা মাঠে সরানো হয়েছে। কিন্তু তাদের ভাগ্যটা আগের মতই আছে। ভোর ৫.৩০ থেকে আছি এখানে। আমার সামনেই ওনারা এসেছেন। কিন্তু, এখন পর্যন্ত একটা টাকার পণ্যও বিক্রি করতে পারেননি কেউ।
তবুও ওরা হাত পাতে না! যার যতটুকু সামর্থ্য আছে, সামনে এগিয়ে আসুন, এসব মানুষের পাশে দাঁড়ান। কবরে টাকা থাকবে না, এসব মানুষের দোয়া থাকবে!
সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট শেখ সালাউদ্দীন দিপু বলেন, গোপালগঞ্জ জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি জেলার প্রান্তিক অসহায় মানুষের দ্বারে দ্বারে গিয়ে আমরা তাদের সহায়তা করছি। সমাজে যারা অসচ্ছল বয়স্ক মানুষ রয়েছেন। তাদের খুঁজে খুঁজে উপহার সামগ্রী (খাদ্য সহায়তা) পৌঁছে দিচ্ছি। যে কোনো প্রয়োজনে জেলা প্রশাসনের হটলাইন নম্বরে যোগাযোগ করার আহ্বান জানাচ্ছি। ঘরে থাকুন, নিজে নিরাপদ থাকুন, পরিবারকে নিরাপদ রাখুন। বাংলাদেশকে নিরাপদ রাখুন।
