ভৈরবের পাদুকা কারখানা সীমিত আকারে খুলে দেওয়ার দাবি

আপডেট : ২৬ এপ্রিল ২০২০, ০৭:৪৩ এএম

করোনাভাইরাস প্রতিরোধে সরকারি নির্দেশনায় কারখানা বন্ধ থাকায় লোকসানের কারণে ধ্বংস হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে কিশোরগঞ্জের ভৈরবের বিকাশমান পাদুকাশিল্প (জুতা তৈরি)। কারণ রমজানের ঈদকে কেন্দ্র করেই এখানকার পাদুকাশিল্পের অর্থনীতির চাকা ঘোরে। তাই আসন্ন রমজানের ঈদ সামনে রেখে কারখানাগুলো সীমিত আকারে খুলে দেওয়া ও উৎপাদিত পাদুকা দেশব্যাপী বিক্রির সুযোগ দেওয়ার দাবি সংশ্লিষ্টদের।

ভৈরবের পাদুকা কারখানার মালিকরা জানান, সারা বছর তাদের উৎপাদন এবং বিক্রি অল্পস্বল্প হলেও, রমজানের দুই-আড়াই মাস আগে থেকে পুরোদমে শুরু হয়। এ সময় প্রতিটি কারখানা কর্মমুখর হয়ে ওঠে। শ্রমিক-মালিকরা দিনরাত প্রায় ১৮ থেকে ২০ ঘণ্টা কাজ করে থাকেন। যত বেশি শ্রম, তত বেশি উৎপাদন। আর যত বেশি উৎপাদন, তত বেশি মজুরি আর মুনাফা। তাই তারা দিনরাতের ব্যবধান ভুলে যান। কিন্তু করোনাভাইরাসের কারণে বর্তমানে সেই কর্মমুখর কারখানাগুলো বন্ধ থাকায় সেখানে এখন বিরাজ করছে সুনসান নীরবতা। কাঁচামাল আর যন্ত্রপাতিগুলোতে মিশে আছে ধুলো-বালি। কাজ হারিয়ে শ্রমিকরা দিন যাপন করছেন অর্ধাহারে, অনাহারে। ভৈরব পাদুকা কারখানা মালিক সমবায় সমিতির সভাপতি আল আমিন মিয়া দাবি করেন, প্রধানমন্ত্রীর প্রস্তাবনা অনুযায়ী সীমিত আকারে তাদের কিছু কারখানা যেন খুলে দেওয়া হয়। যাতে করে তারা এই রমজানের ঈদের মৌসুমটাকে কাজে লাগাতে পারেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা লুবনা ফারজানা জানান, পাদুকা কারখানা ভৈরবের একটি বড় শিল্পমাধ্যম। যেখানে বহু লোকের কর্মসংস্থান তৈরি করেছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে তিনি তাদের সমস্যার বিষয়ে অবগত আছেন।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত