করোনা পরিস্থিতির মধ্যেই বুধবার খুলে দেওয়া হয়েছে ভারতের কেদারনাথ মন্দির। তবে সংক্রমণের আশঙ্কায় মন্দিরের ভিতরে প্রবেশে অনুমতি মেলেনি তীর্থযাত্রীদের। প্রতিবছরের নিয়ম মেনে মন্দির খুলে দেওয়ার অনুমতি পাওয়া গেলেও পুণ্যার্থীদের প্রবেশে জারি রয়েছে নিষেধাজ্ঞা।
মন্দিরের প্রধান পুরোহিত-সহ ২০ জনকে নিয়ে মন্দিরের দরজা খোলার পর পুজো অনুষ্ঠিত হয়। এদিন সকাল ৬টা বেজে ১০ মিনিটে শিবের মূর্তিকে গাঁদা ফুলে সাজিয়ে পুজোর আচার সম্পন্ন করা হয়। মন্দিরের বাইরেও ভক্তদের বিশেষ সমাগত দেখতে পাওয়া যায়নি। প্রতিবছর এই সময় ভক্তদের সমাগম চোখে পড়ার মত হলেও এই বছরের চিত্র কিছুটা ভিন্ন।
সূত্রের খবর, ১০ কুইন্টাল ফুল দিয়ে সাজানো হয়েছে মন্দির চত্বর। প্রতি বছরই মহা সামরোহে মন্দিরে দরজা খোলার অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ভোর রাত ৩টে থেকে এই অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। নিরাপত্তা রক্ষী, মন্দির কর্তৃপক্ষের উপস্থিতিতে বাকি পুরোহিতদের নিয়ে পুজো সারেন মন্দিরের প্রধান পুরোহিত। মন্দিরের দরজা খোলার পর প্রথম প্রার্থনা করা হয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নামে। তবে মন্দিরের প্রধান পুরোহিত জানান, ” করোনার সংক্রমণের জেরে এই বছর ‘দর্শন’ প্রার্থনা করা সম্ভব হয়নি।”
সংক্রমণ এড়াতে লকডাউনের মাঝেই দেশের প্রতিটি ধর্মস্থানে ভক্তদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। মন্দির-মসজিদ-গুরুদ্বারগুলিতে যেতে বারণ করে দেওয়া হয়। এমনকি ধর্মস্থানগুলির ভিতরে থাকা ব্যক্তিদেরও সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে বলা হয়। হিন্দু ধর্মে চার ধামের মধ্যে একটি হল কেদারনাথ। বাকি তিনটি ধাম হল- বদ্রীনাথ, গঙ্গোত্রী, যমুনোত্রী। প্রতি বছর এই চার ধামের দর্শন করতে হাজার হাজার পুণ্যার্থী ভিড় জমান। তবে করোনার প্রভাবে এই বছর সবই বাতিল করে দেওয়া হয়।
সূত্র: সংবাদ প্রতিদিন
