সীমান্ত খুলে দিতে এখনো অনেক দেরি আছে বলে মন্তব্য করেছেন নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জেসিন্ডা আরডার্ন। অস্ট্রেলিয়ার কেবিনেটের সঙ্গে এক বৈঠকের পর তিনি এই ঘোষণা দেন।
বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে আলাদা একটা জোন তৈরি করে ভ্রমণ চালু করার ব্যাপারে আলোচনা হয়েছে। কিন্তু এর বাইরে ভ্রমণকারীদের এখন প্রবেশের সুযোগ দেওয়া হবে না। এদিকে করোনা পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে এনেছে বলে জানিয়েছে দেশটি। শিথিল করা হয়েছে লকডাউন। এছাড়া গত ৪৮ ঘণ্টায় নিউজিল্যান্ডে নতুন করে কোনো রোগী নেই।
এ নিয়ে জেসিন্ডা আরডার্ন বলেন, এটা একটা যৌথ প্রয়াসে সম্ভব হয়েছে। নিউজিল্যান্ডের প্রতিটি নাগরিকের উচিত গর্বিত বোধ করা। এখন পর্যন্ত দেশটিতে করোনা আক্রান্ত ১ হাজার ১৩৭ জন, মারা গেছেন ২০ জন।
করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব শুরু হলে নিউজিল্যান্ডে যখন মাত্র ডজনখানেক রোগী শনাক্ত হন, তখনই দেশটি স্বাভাবিক কাজকর্ম এবং ভ্রমণে কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করে। দেশটির সব সীমান্ত বন্ধ করে দেওয়া হয় এবং দেশটিতে প্রবেশ করা সব মানুষকে বাধ্যতামূলক কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো হয়। এছাড়া কঠোর লকডাউন আরোপ করা হয় এবং নমুনা পরীক্ষার হার বহুগুণ বাড়িয়ে দেওয়া হয়। সেই সঙ্গে জোরদার করা হয় কন্ট্যাক্ট ট্রেসিংয়ের ব্যবস্থাও।
