ঝালকাঠিতে প্রতিদিনই বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা

আপডেট : ২৮ মে ২০২০, ০৫:২৩ পিএম

দেশে সংক্রমণ ধরা পড়ার পড় থেকে ৮৩ দিনে ঝালকাঠিতে এখন পর্যন্ত ৪৪ জন করোনাভাইরাসে (কভিড-১৯) আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে মারা গেছেন ২ জন। তাদের মধ্যে একজন নলছিটির, অপরজন কাঠালিয়ার।

বুধবার দুপুরে জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে। জেলায় ২৮৮ জনকে হোম কোয়ারেন্টাইনে রয়েছেন।

গত ৮ মার্চ দেশে করোনা রোগী শনাক্ত হলেও ঝালকাঠি জেলায় পরের মাসে এপ্রিলের ১১ তারিক প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয়। এরপর ৩ মে পর্যন্ত এই ২২ দিনে জেলায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ১১জন। গত ৫ মে থেকে জেলায় ঢাকা ও নারায়নগঞ্জ ফেরতরা প্রবেশ করা শুরু করলে জেলায় করোনা আক্রান্তের সংখ্যাও বাড়তে থাকে। এখন জেলায় প্রতিদিনই বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা।

জেলায় মোট করোনা শনাক্ত ৪৪জনের মধ্যে নলছিটিতে ১৪জন, কাঠালিয়ায় ৭জন, রাজাপুরে ৭জন ও সদর উপজেলায় ১৪জন। আক্রান্তদের মধ্যে রাজাপুর উপজেলা প্রকৌশলী ও মৎস্য কর্মকর্তা, নলছিটি উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা এবং ঝালকাঠি সিভিল সার্জন কার্যালয়ের ইপিআই সুপারভাইজারও রয়েছেন।

এছাড়াও জেলায় এখন পর্যন্ত নলছিটি উপজেলায় তসলিম খান ও কাঠালিয়া উপজেলায় টুম্পা রাণী শীল নামে দুইজন করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন। ১২জন করোনা রোগী চিকিৎসায় পুরোপুরি সুস্থ হয়েছেন। প্রায় ১২০০জন হোম কোয়ারেন্টাইন শেষ করেছেন এবং ২৮৮জন বর্তমানে হোম কোয়ারেন্টাইনে রয়েছেন।

সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্র জানিয়েছে, জেলার চারটি হাসপাতালে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে ৫১টি বেড করোনা চিকিৎসার জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এখন পর্যন্ত যারা আক্রান্ত হয়েছেন তারা সবাই হোম আইসোলেশনে থেকে ডাক্তারের পরামর্শে চিকিৎসা নিচ্ছেন।জেলায় করোনা চিকিৎসার জন্য ৭৫জন ডাক্তার ও ১২৮জন সেবিকা পর্যায়ক্রমে করোনা আক্রান্তদের চিকিৎসা দিচ্ছেন।

ঝালকাঠি সিভিল সার্জন শ্যামল কৃষ্ণ হাওলাদার বলেন, জেলায় এখন পর্যন্ত যারা করোনা শনাক্ত হয়েছেন তারা সবাই ঢাকা কিংবা নারায়ণগঞ্জ থেকে আসা। এছাড়া যারা জেলার বাইরে থেকে আসছেন তাদের আমরা আইসোলেশনে রাখার ব্যবস্থা করছি। করোনা চিকিৎসার জন্য আমাদের আক্রান্ত রোগীর চেয়ে চিকিৎসা সেবা দেওয়ার জন্য লোকবল অনেক বেশি আছে। চিকিৎসকরা আন্তরিকতার সাথেই করোনা রোগীদের চিকিৎসা দিয়ে যাচ্ছেন।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত