টম ক্রুজের নতুন একটি সিনেমার শুটিং মহাশূন্যে করার যে পরিকল্পনা চলছে, সেটি প্রায় অসম্ভব বলে জানিয়েছে প্রযুক্তি বিষয়ক ওয়েবসাইট সিনেট। সম্প্রতি মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা দাবি করে, তাদের সাহায্য টম ক্রুজ মহাকাশে তার নতুন একটি মুভির শুটিং করবেন।
এর আগে ২০০৮ সালে বিজ্ঞানী ওভেন গ্যারিয়টের ছেলে ৩০ মিলিয়ন খরচ করে দুই সপ্তাহ মহাকাশে কাটিয়ে আসেন। তিনি সেখানে বসে ৫ মিনিটের একটির ভিডিও ধারণের পর সম্পাদনাও করেন।
জুনিয়র গ্যারিয়ট সিনেটকে বলেছেন, ‘৫ মিনিটের ভিডিও করা এক কথা, আর সিনেমার শুটিং আরেক কথা। এটা ব্যয়বহুল তো বটেই; কারিগরি দিক থেকেও নিতান্ত অসম্ভব।’
ক্রুজের সঙ্গে কাজ করার ঘোষণা দিয়ে মে মাসের শুরুতে নাসা কর্মকর্তা জিম ব্রাইডেনস্টাইন বলেন, ইন্টারন্যাশনাল স্পেস স্টেশনে টম ক্রুজের সঙ্গে একটি ছবিতে কাজ করার সুযোগ পেয়ে নাসা উচ্ছ্বসিত। নাসার উচ্চাভিলাষী পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য নতুন প্রজন্মের প্রকৌশলী ও বিজ্ঞানীদের অনুপ্রাণিত করার জন্য জনপ্রিয় মিডিয়া প্রয়োজন।
সাধারণত ‘মিশন: ইম্পসিবল’-এর প্রতিটি পর্বে বিপজ্জনক একটি শট দেন টম ক্রুজ। একটি কিস্তিতে জেট প্লেনের বাইরে ঝুলতে দেখা যায় তাকে। আরেকটি পর্বে উচ্চ দালান বেয়ে উঠেন। তবে এই সিনেমাটি তার অংশ নয়।
প্রথম সাধারণ মানুষ হিসেবে মহাকাশ থেকে ঘুরে আসা গ্যারিয়ট বলছেন, ‘স্পেস স্টেশনে সময় কাটানো এমনিতে বিপজ্জনক। পায়ের আঙুল দিয়ে ধাক্কা দিয়ে আরেক জায়গায় যেতে হলে অনেক কষ্ট হয়। সেখানে এভাবে শুটিং হবে না।’
