সরকারিভাবে দেওয়া খাদ্য সহায়তার চাল ও গম আত্মসাতের অভিযোগে বগুড়া ও সাতক্ষীরায় দুটি পৃথক মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। একটি মামলায় বগুড়ার গাবতলি খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ তিন জন ও সাতক্ষীরায় কালীগঞ্জে মিল মালিকসহ ৬ জনকে আসামি করা হয়েছে।
দুদকের পরিচালক (জনসংযোগ) প্রণব কুমার ভট্টাচার্য রবিবার দেশ রূপান্তরকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, ১৫ হাজার কেজি সরকারি চাল আত্মসাতের অভিযোগে শনিবার বগুড়ায় মামলা করা করেন দুদকের বগুড়া সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপ-সহকারী পরিচালক ওয়াহিদ মঞ্জুর সোহাগ। মামলায় গাবতলি উপজেলার সাবেকপাড়া এলএসডি খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা গাজী মো. শফিকুল ইসলাম, একই গুদামের নৈশ প্রহরী সাদেকুল ইসলাম ও ধুনট উপজেলার বাসিন্দা আমজাদ হোসেনকে আসামি করা হয়।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, আসামিগণ পরস্পর যোগসাজশে সাবেকপাড়া এলএসডি খাদ্য গুদামের ৩০০ বস্তা বা ১৫ হাজার সরকারি চাল অবৈধভাবে পাচারের মাধ্যমে আত্মসাৎ করেছেন। মামলার আসামিদের গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
প্রণব আরও জানান, অপর মামলায় সাতক্ষীরায় ৪৭ হাজার ৮৫০ কেজি সরকারি গম আত্মসাতের অভিযোগে দুদকের খুলনা সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপ-সহকারী পরিচালক নীলকমল পাল বাদী হয়ে দুদক খুলনা জেলা কার্যালয়ে মামলা করেন। গত ২৮ মে করা মামলায় সাতক্ষীরা জেলার কালীগঞ্জ উপজেলার মনিরুজ্জামান মনি, একই উপজেলার মনিমুক্তা রাইস মিলের ম্যানেজার মোজাহিদুল আলম মুকুল, শ্যামনগর উপজেলার কৈখালি ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য পবিত্র কুমার সরকার, মনিমুক্তা রাইস মিলের মালিক আব্দুল গফ্ফার. শ্যামনগর উপজেলার খাদ্য শস্য মজুদ ব্যবসায়ী মোহাম্মদ আলী সাপুই ও একই উপজেলার আব্দুল মজিদ গাজীকে আসামি করা হয়।
এজাহারে বলা হয়, আসামিগণ পরস্পর যোগসাজশে জাল-জালিয়াতি ও প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে তাদের ওপর অর্পিত ক্ষমতার অপব্যবহার ও বিশ্বাস ভঙ্গের মাধ্যমে সর্বমোট ৮১৭ বস্তা বা ৪৭,৮৫০ কেজি সরকারি খাদ্য সহায়তার গম আত্মসাৎ করেন।
