করোনাভাইরাস নিয়েই স্কয়ার হাসপাতাল থেকে বাসায় ফিরেছেন করোনাকালে নারায়ণগঞ্জের আলোচিত কাউন্সিলর মাকসুদুল আলম খন্দকার খোরশেদ।
টাকার অভাবে ‘করোনা পজিটিভ’ নিয়েও শুক্রবার (৫ জুন) হাসপাতাল ছাড়েন তিনি। শনিবার হাসপাতাল ছেড়ে ঢাকায় নিকটাত্মীয়ের বাসায় উঠেছেন করেনামুক্ত হওয়া স্ত্রী আফরোজা খন্দকার লুনা।
রবিবার কাউন্সিলর খোরশেদ দেশ রূপান্তরকে বলেন, আমি হাসপাতালের চিকিৎসা ব্যবস্থা নিয়ে খুবই সন্তুষ্ট। আমার স্ত্রীর অবস্থা খুবই খারাপ ছিল। ওখানে ভর্তি না হলে কী হতো তা আমি জানি না। হাসপাতাল আমাদের পর্যাপ্ত চিকিৎসাসেবা দিয়েছে। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে আমি আর পেরে উঠছি না।
ভর্তির পর থেকে শেষদিন পর্যন্ত আমাদের দুজনের চিকিৎসায় বিল এসেছে ছয় লাখ ৭৫ হাজার টাকা। এই টাকার বাইরে খরচ করার ক্ষমতা আমার নেই। তাই হাসপাতাল থেকে চলে এসেছি। কিন্তু আমার আরো কয়েকদিন থাকা উচিত ছিল। অন্তত প্রথম দফায় নেগেটিভ আসা পর্যন্ত।’
তিনি আরও বলেন, আজকে পর্যন্ত ৭২টি লাশ দাফন করেছে আমাদের টিম। সুস্থ হয়ে আবার মানুষের পাশে দাঁড়াবো ইনশাআল্লাহ। যতদিন সুস্থ ও বেঁচে আছি এই করোনায় ও করোনার বাইরে সব সময় মানব সেবা করার তৌফিক যেন আল্লাহ দেন। সেই প্রার্থনা করি।
উল্লেখ্য যে, নারায়ণগঞ্জে করোনাভাইরাসে মারা যাওয়া ৬১ জনের দাফন সম্পন্ন করার পর দেশজুড়ে প্রশংসিত কাউন্সিলর মাকসুদুল আলম খন্দকার খোরশেদ। এমনকি করোনায় মৃত হিন্দু ব্যক্তিদেরও সৎকার করেন তিনি ও তার টিম। এ কারণে ‘মানবতার ফেরিওয়ালা’, ‘করোনা যোদ্ধা’, ‘সুপার হিরো’সহ নানা খ্যাতি পেয়েছেন তিনি।
