চব্বিশ ঘণ্টায় দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে রেকর্ড ৪৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে রেকর্ড হয়েছে প্রাণঘাতী এই ভাইরাসের সংক্রমণ ধরায়ও, ১৪ হাজার ৬৬৪টি নমুনা পরীক্ষা করে শনাক্ত হয়েছেন সর্বোচ্চ ৩ হাজার ১৭১ জন।
বাংলাদেশে গত ৮ মার্চ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত প্রথম রোগীর খোঁজ মেলার পর মঙ্গলবার সকাল আটটা পর্যন্ত মোট আক্রান্ত দাঁড়িয়েছে ৭১ হাজার ৬৭৫ জন।
আক্রান্তদের মধ্যে মৃত্যু দাঁড়িয়েছে ৯৭৫ জনে। চব্বিশ ঘণ্টায় ৭৭৭ জনসহ মোট সুস্থ হয়েছেন ১৫ হাজার ৩৩৬ জন।
দেশে এর আগে একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যুর রেকর্ড ছিল ৭ ও ৮ জুন, ৪২ জন; আর সর্বোচ্চ শনাক্তের রেকর্ড ছিল ২ জুন, ২ হাজার ৯১১ জন।
সবশেষ তথ্যানুযায়ী দেশে করোনাভাইরাসে শনাক্তের হার ২১.৬২ শতাংশ; মৃত্যুর হার ১.৩৬ শতাংশ এবং সুস্থতার হার ২১.৪০ শতাংশ।
দেশের করোনাভাইরাস পরিস্থিতি নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত অনলাইন বুলেটিনে মঙ্গলবার দুপুরে এসব হালনাগাদ তথ্য তুলে ধরেন অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা।
তিনি জানান, সবশেষ মৃতদের মধ্যে ৩৩ জনই পুরুষ, ১২ জন নারী। তাদের মধ্যে ঢাকা বিভাগেরই ২৮ জন, চট্টগ্রাম বিভাগের ১১ জন। বাকিদের মধ্যে রাজশাহী বিভাগের দুজন, সিলেট বিভাগের দুজন এবং রংপুর বিভাগের দুজন।
তাদের বয়স ১১-২০ বছরের মধ্যে দুজন, ২১-৩০ বছরের মধ্যে দুজন, ৩১-৪০ বছরের মধ্যে পাঁচজন, ৪১-৫০ বছরের মধ্যে তিনজন, ৫১-৬০ বছরের মধ্যে ১৫ জন, ৬১-৭০ বছরের মধ্যে ১০ জন এবং ৭১-৮০ বছরের মধ্যে আটজন।
বুলেটিনে বলা হয়, চব্বিশ ঘণ্টায় আইসোলেশনে নেওয়া হয়েছে আরও ৫৫৭ জনকে, ছাড় পেয়েছেন ২১৬ জন। বর্তমানে আইসোলেশনে আছেন ৭ হাজার ৮৯৩ জন।
এই সময়ে কোয়ারেন্টাইনে নেওয়া হয়েছে ২ হাজার ৬০২ জনকে; ছাড় পেয়েছেন ২ হাজার ৩৬ জন। বর্তমানে কোয়ারেন্টাইনে আছেন ৫৬ হাজার ৬৩৮ জন।
