করোনার সর্বশেষ রোগীটিও সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছে নিউজিল্যান্ডে। দেশটিকে করোনামুক্ত বলে ঘোষণাও দিয়ে ফেলেছেন প্রধানমন্ত্রী জেসিন্ডা আরডার্ন।
করোনা রোধে পুরোপুরি সফল হওয়ায় তুলে নেয়া হয়ে লকডাউনের বিধিনিষেধও। মে মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে সীমিত আকারে সব কিছু খুলে দেয়া শুরু হয়।
তবে সোমবার মধ্যরাতে লকডাউন পুরোপুরি তুলে ফেলে আগের মতো স্বাভাবিক জীবনে ফিরে গেছে নিউজিল্যান্ড।
ইতিমধ্যে হাজার হাজার মানুষ কর্মস্থলে ফিরে গেছে। শপিং সেন্টার, রেস্টুরেন্ট, পার্ক, জিম সবই খুলে গেছে। কয়েকজন বসে রেস্টুরেন্টে একসঙ্গে আড্ডা দেয়াও যাবে। স্টেডিয়ামে দর্শকেরাও ফিরে আসবে শিগগিরই।
আলজাজিরা জানায়, মহামারীকালীন রূদ্ধশ্বাস থেকে মুক্তি পেয়ে আনন্দ উল্লাসে মেতে উঠে দেশটির মানুষ। পরস্পরকে জড়িয়ে ধরে তারা, পার্টিতে মেতে উঠে।
ওয়েলিংটন থেকে স্টিভ প্রাইস নামে এক ব্যক্তি বলেন, মানুষ শপিং করছে, একসঙ্গে খাচ্ছে, হাত মেলাচ্ছে, একত্রিত হচ্ছে। এমন দৃশ্য দেখা সত্যিই আনন্দের।
গণপরিবহণ খুলে যাওয়ায় মানুষ সহজেই কর্মস্থলে যোগ দিতে পেরেছে এবং শপিং করার জন্য ঘর থেকে বের হয়েছে। স্কুলগুলোও খুলে গেছে। শহরগুলো আগের মতো প্রাণ ফিরে পেয়েছে।
সামাজিক দূরত্বের বিধিনিষেধ তুলে ফেলায় ক্যাটি ইলিস নামে এক ক্যাফে মালিক বলেন, সত্যিই কোলাহল ফিরিয়ে আনতে এটি দারুণভাবে সহায়তা করেছে। আগের মতো স্বাভাবিক জীবনে ফিরে গিয়ে সত্যিই দারুণ অনুভূতি হচ্ছে।
শুরু থেকে কার্যকরী পদক্ষেপ নেওয়ায় দেশটিতে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন মাত্র এক হাজার ১৫৪ জন। এর মধ্যে মারা গেছেন মাত্র ২২ জন।
