মোবাইলফোন চুরির অভিযোগ তুলে সালিশ ডেকে দুই শিশুকে হাত-পা বেঁধে নির্যাতনের অভিযোগে মামলায় ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ উপজেলার সেনগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য জহিরুল ইসলাম ও তার সহযোগী জিয়াবুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। গতকাল রবিবার সকালে পীরগঞ্জ এলাকা থেকে সেনগাঁও ইউনিয়নের ওয়ার্ড সদস্য জহিরুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করে র্যাব-১৩। এর আগে গত শনিবার বিকেলে জিয়াবুল ইসলাকে গ্রেপ্তার করে গোয়েন্দা পুলিশ। পীরগঞ্জ থানার ওসি প্রদীপ কুমার রায় বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, শিগগিরই বাকি আসামিদের গ্রেপ্তার করা হবে।
মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, পীরগঞ্জ উপজেলার দেওধা গ্রামের সুমন (১১) ও চাচাতো ভাই কামরুল ইসলামকে (১২) গত ২২ মে মোবাইল ফোন চুরির অভিযোগে আটক করে গ্রামে সালিশ বৈঠকে ইউপি সদস্য জহিরুল ইসলামের নেতৃত্বে মোতালেব আলীসহ আরও কয়েকজন নির্মমভাবে নির্যাতন করেন। সেই চিত্র ক্যামেরায় ধারণ করে শিশু সুমনের মা শরিফার কাছে ৫০ হাজার টাকা দাবি করে নির্যাতনকারীরা। কিন্তু তাদের দাবি পূরণে ব্যর্থ হলে টাকার বদলে শরিফার বাড়ি থেকে একটি গরু নিয়ে যায় তারা। শিশু নির্যাতনের অভিযোগে মামলায় পীরগঞ্জ উপজেলার সেনগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে গত ৫ জুন মামলা দায়ের করেন শিশু সুমনের মা শরিফা খাতুন।
