কোচরা পছন্দ করত না বলেই আমি সাইডলাইনে: কামরান

আপডেট : ৩০ জুন ২০২০, ০৯:১১ পিএম

কামরান আকমল, আদনান আকমল ও উমর আকমল। এক সময় আকমল ভাইরা নিয়মিত ছিলেন পাকিস্তান দলে। আদনানেন আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার খুব বেশি লম্বা না হলেও কামরান এবং উমর দলে নিজেদের প্রতিষ্ঠিতই করেছিলেন।

কিন্তু বারবার নানা বিতর্কিত খবরে শিরোনামে এসেছেন তারা। উমর আকমল তো পিসিবির দেওয়া তিন বছরের নিষেধাজ্ঞার খড়্গ মাথায় নিয়ে ঘুরছেন। বড়জন- কামরান দীর্ঘদিন ধরে জাতীয় দলের বাইরে। এই বাইরে থাকার জন্য অবশ্য কোচদের দায়ী করেন ৩৮ বছর বয়সী কারমান।

পিএসএলের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক তিনি। ৫৫ ইনিংসে এই উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যানের নামের পাশে ১৫৩৭ রান। আসরে দ্রুততম অর্ধ শতকের রেকর্ডও তার। এক সেশনে ১২ ডিসমিশালের রেকর্ড, আসরের ইতিহাসে সর্বোচ্চ সেঞ্চুরিও কামরান আকমলের দখলে। এরপরও ২০১৭ সালের পর আর পাকিস্তানের জার্সি গায়ে জড়ানো হয়নি তার।

৫৩ টেস্ট, ১৫৭ ওয়ানডে ও ৫৮ টি-টোয়েন্টি খেলা ক্রিকেটার বলছেন, ‘শেষ ৫ বছর আমি ঘরোয়া ক্রিকেট ও পিএসএলে পারফর্ম করে গেছি। কিন্তু এরপরও পাকিস্তান দলের হয়ে খেলার জন্য আমি একটা সুযোগও পাইনি। খুব সাম্প্রতিক অতিতে কয়েকজন কোচ আমাকে পছন্দ করত না। এ কারণেই আমি সাইডলাইনে থেকে গেছি।’

নিজের যে পারফরম্যান্স, তাতে কামরান পাকিস্তান দলে শুধু ব্যাটসম্যান হিসেবে সুযোগ পাওয়ার দাবিদার মানেন নিজেকে। উদাহরণ দিয়ে বলেন, ‘আমাকে টেস্ট ও টি-টোয়েন্টি দল থেকে দূরে রাখা পক্ষপাতদুষ্ট। কারণ আমি কেবল মাত্র ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলতে পারি। ম্যাথু ওয়েড (অস্ট্রেলিয়া দলের ক্রিকেটার) ১৮-২০ গড় নিয়ে ফিরে আসতে পারে, আমি কেন ৬০ গড় নিয়ে পারব না।’

কামরান কথা বলেছেন ভাই উমর আকমলের নিষিদ্ধ হওয়া নিয়েও। জুয়াড়িদের কাছ থেকে পিএসএলে ম্যাচ পাতানোর প্রস্তাব পেয়েও সংশ্লিষ্টদের না জানিয়ে নিষেধাজ্ঞার কবলে পড়েন উমর। এ ছাড়া শৃঙ্খলা ভঙ্গের জন্যও বারবার তাকে নেতিবাচক খবরের শিরোনাম হতে হয়েছে।

কামরান বলছেন, ‘খেলোয়াড়দের অফ দ্য ফিল্ডের কর্মকাণ্ড পাকিস্তান ক্রিকেটে নতুন নয়। টিম ম্যানেজমেন্ট ও অধিনায়কের জানা উচিত কীভাবে এই ধরনের খেলোয়াড়দের সামলাতে হয়। যেমন ভাবে ইনজি ভাই (ইনজামাম-উল-হক) শোয়েব আখতার, মোহাম্মদ আসিফ, শহীদ আফ্রিদিদের সামলাতেন। একই রকম যদি উমরের ক্ষেত্রে হতো, তবে সবকিছু অন্য রকম হতো।’

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত