হলিউডের অন্যতম অভিনেতা টম ক্রুজ ৫৭ বছর বয়স পূর্ণ করলেন শুক্রবার। চিরসবুজ এ তারকা এখনো অভিনয়ে পাল্লা দিয়ে যাচ্ছেন সমসাময়িক নায়কদের। বক্স অফিস তার প্রমাণ।
সেই ১৯৮০ এর দশকে চলচ্চিত্রে পা রাখেন টম ক্রুজ। এর পর একে একে অনেক সফল সিনেমা উপহার দিয়েছেন। সেখান থেকে জেনে নিন শীর্ষ আয়ের দশ সিনেমার খবর।
হ্যাঁ, এ তালিকার বাইরে জেরি মাগুয়ের, জ্যাকি রিচার সিরিজ, আইস ওয়াইড শট, ম্যাগনোলিয়া, ভ্যানিলা স্কাই, টপগান বা রেইনম্যানসহ অনেক প্রশংসিত ও বক্সঅফিস সফল ছবি রয়েছে টম ক্রুজের ঝুলিতে।
১০. এইজ অব টুমরো: সমালোচকদের চোখে টম অভিনীত সেরা সাই-ফাই সিনেমা এটি। বিশ্বজুড়ে আয় করে ৩৭ কোটি ডলার। ছবিতে জাতিসংঘের অধীনে এক সৈনিকের চরিত্রে অভিনয় করেন টম ক্রুজ। তাকে লড়তে হয় এলিয়েনদের বিরুদ্ধে। সাই-ফাই ঘরানায় এ নায়কের আরেকটি উল্লেখযোগ্য সিনেমা ‘মাইনোরিটি রিপোর্ট’-এর আয় প্রায় ৩৬ কোটি ডলার।
নয়. মিশন ইম্পসিবল থ্রি: টম ক্রুজ মানেই ‘মিশন ইম্পসিবল’ ফ্র্যাঞ্চাইজি। সিরিজের সব ছবিই আছে শীর্ষ আয়ের তালিকায়। তবে তৃতীয় কিস্তিটি একদম শেষ দিকে, তাও ৩৯.৭ কোটি ডলার নিয়ে। ভাবুন তো ইথান হান্টের কত জনপ্রিয়তা। ধরা হয়ে থাকে, প্রথম তিন ‘মিশন ইম্পসিবল’ ছবির মধ্যে এটিই সেরা।
আট. দ্য মামি: সিনেমাটি উত্তর আমেরিকার স্থানীয় বাজারের বক্স অফিস বিচারে ফ্লপ। সমালোচকরাও পছন্দ করেননি। তারপরও বিখ্যাত ‘দ্য মামি’ সিরিজের এই রিবুটের আয় ৪০ কোটি ডলার। ছবিতে আরও ছিলেন রাসেল ক্রো।
সাত. দ্য লাস্ট সামুরাই: প্রাক-আধুনিক জাপানের প্রেক্ষাপটে নির্মিত এ সিনেমা সবার পছন্দের। ছবিতে জাপানের পশ্চিমাকরণে গল্প উঠে এসেছে। যার বিপরীত পক্ষ নেন সামুরাইদের হাতে বন্দি এক আমেরিকান ক্যাপ্টেন। সিনেমাটির আয় সাড়ে ৪৫ কোটি ডলারের বেশি।
ছয়: মিশন ইম্পসিবল: সিরিজের প্রথম ছবি। টিভি সিরিজ থেকে অনুপ্রাণিত সিনেমায় হলিউড পায় নতুন সিক্রেট এজেন্ট। যার প্রতিটি পর্বে টম ক্রুজ দুর্ধর্ষ সব স্ট্যান্ট নিয়ে হাজির হন। ২২ বছরে মোট ৬টি কিস্তি উপহার দিয়েছেন টম। আর প্রথম পর্বটির আয় ৪৫.৭ কোটি ডলার।
পাঁচ. মিশন ইম্পসিবল টু: এ ছবিতে আছে অনেক চমক। তৃতীয় পর্বে ইথান হান্ট বিয়ে করেন বটে! তবে এ পর্বে অন্যরকম এক প্রেমের কাহিনি আছে। যদিও পরে সেই প্রেমিকাকে আর দেখা যায়নি। ছবিটির আয় সাড়ে ৫৪ কোটি ডলারেরও বেশি।
চার. ওয়ার অব দ্য ওয়ার্ল্ড: এইচ জি ওয়েলসের বিখ্যাত সাই-ফাই গল্প থেকে এ সিনেমা বানান স্টিভেন স্পিলবার্গ। এলিয়েনদের আক্রমণ ও পিতা-কন্যার লড়াই নিয়ে দারুণ স্পর্শী গল্প। আয় করে ৫৯ কোটি ডলারের সামান্য বেশি।
তিন থেকে একের মধ্যে রয়েছে ‘মিশন ইম্পসিবল’ সিরিজের সর্বশেষ সিনেমাগুলো।তিন নম্বরে থাকা ‘রুগ নেশন’-এ সরকারের সঙ্গে বিরোধ ও সিন্ডিকেট নামের টেরটিস্ট অরগানাইজেশন খোঁজা নিয়ে তুমুল টানটান গল্প সবাই পছন্দ করেছে। আয় করেছে ৬৮.২ কোটি ডলার। দুই নম্বরে আছে ‘ঘোস্ট প্রোটোকল’। আয় করেছে ৬৯.৪ কোটি ডলার।
এক. মিশন ইম্পসিবল- ফলআউট: সুপারম্যান তারকা হেনরি কাভিল আছে সিআইএ এজেন্ট চরিত্রে। তাকে পাঠানো হয় হান্টের মিশন পর্যবেক্ষণ। দুজনের দুর্ধর্ষ অ্যাকশন এ সিনেমার প্রাণ। বক্স অফিসে আয় ৭৯.১ কোটি ডলার।
এ দিকে মুক্তির অপেক্ষায় আছে টম ক্রুজের আইকনিক সিনেমা ‘টপ গান’-এর সিক্যুয়াল ‘টপ গান: ম্যাভেরিক’। আর করোনার কারণে আপাতত স্থগিত আছে ‘মিশন ইম্পসিবল’ সিরিজের সপ্তম কিস্তির দৃশ্যায়ন।
