রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যাওয়া দু্ই করোনা রোগীর মরদেহ ফেলে পালিয়েছে স্বজনেরা। এদের একজন করোনায় মারা গেছেন আরেকজন মারা যান করোনা উপসর্গ নিয়ে।
মৃত ব্যক্তিরা হলেন- রাজশাহীর চারঘাটের মোয়াজ আলীর ছেলে হাবিবুর রহমান (৫৫) ও নওগাঁর পত্নীতলা উপজেলার জামগ্রামের আজাদ আলী (৩০)।
করোনার উপসর্গ নিয়ে রামেক হাসপাতালের ২৯ নম্বর ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রোববার সকাল ১০টার দিকে হাবিবুর রহমানের মৃত্যু হয়। করোনার সন্দেহভাজন রোগীদের এই ওয়ার্ডে রাখা হয়। তবে হাবিবুর রহমানের নমুনা পরীক্ষায় করোনা নেগেটিভ এসেছে। তারপরও স্বজনেরা লাশ ফেলে পালিয়েছেন।
রামেক হাসপাতালের উপপরিচালক ডা. সাইফুল ফেরদৌস জানান, মৃত্যুর আগ পর্যন্ত হাবিবুর রহমানের সঙ্গে তার স্বজনেরা ছিলেন। তবে মৃত্যুর পর তারা লাশ ফেলে চলে গেছেন। পরে লাশ কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশনকে দেওয়া হয়েছে।
এর আগে শনিবার রাত দেড়টার দিকে রামেক হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) নওগাঁর পত্নীতলা উপজেলার আজাদ আলী নামের এক ব্যক্তির মৃত্যু। তার সঙ্গে ভাই এবং ভাবি ছিল। মারা যাওয়ার পর তাদের আর পাওয়া যায়নি। তারা নিজেদের মুঠোফোনও বন্ধ করে রেখেছেন। ফলে দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত লাশটি হাসপাতালেই ছিল। পরে আজাদ আলীর লাশ কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশনে দেওয়া হয়।
এদিকে, রোববার পর্যন্ত রাজশাহীতে করোনা শনাক্ত রোগির সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১০৮৫ জনে। এর মধ্যে এ পর্যন্ত মারা গেছেন ১০ জন। আর সুস্থ হয়েছেন ১৫৬ জন। রাজশাহীতে করোনা আক্রান্তদের মধ্যে সবচেয়ে সিটি কর্পোরেশন এলাকার ৭৯৯ জন।
