দেশে করোনারোগী ২ লাখ ছুঁই ছুঁই, মৃত্যু বেড়ে ২৫৪৭

আপডেট : ১৭ জুলাই ২০২০, ০৩:২২ পিএম

চব্বিশ ঘণ্টায় তিন হাজারের বেশি মানুষের শরীরে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়ায় সরকারি হিসেবে দেশে কভিড-১৯ রোগী ২ লাখ ছুঁই ছুঁই করছে। এই সময়ে বেড়েছে মৃত্যুর সংখ্যাও।

করোনা নিয়ে শুক্রবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সবশেষ বুলেটিনে বলা হয়, এদিন সকাল আটটা পর্যন্ত ১৩ হাজার ৪৬০ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ৩ হাজার ৩৪ জনের রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। তাতে করোনারোগী দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৯৯ হাজার ৩৫৭ জন।

এই সময়ে মৃত্যু হয়েছে আরও ৫১ জনের। তাতে এখন পর্যন্ত দেশে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মোট মৃত্যু দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৫৪৭ জনে।

বাংলাদেশে গত ৮ মার্চ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত প্রথম রোগীর খোঁজ মেলে; এর দশ দিনের মাথায় ঘটে প্রথম মৃত্যু।

প্রথম শনাক্তের পর দেশে করোনারোগী সংখ্যা ৫০ হাজার ছাড়ায় ২ জুন। এরপর করোনার সংক্রমণ বেশি দ্রুততর হয়েছে।

লাখে পৌঁছানোর মাত্র ১৬ দিনে গত ১৮ জুন দেশে শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ছাড়িয়ে যায়। সেখান থেকে তা দেড় লাখে পৌঁছাতে সময় লাগে ১৪ দিন; ২ জুলাই দেশে শনাক্তের সংখ্যা দাঁড়ায় ১ লাখ ৫৩ হাজার ২৭৭ জন।

বাকি সাত দিনে শনাক্তের সংখ্যা ছাড়ায় পৌনে দুই লাখ। ৯ জুলাই দেশে কেরোনা রোগী ছিল ১ লাখ ৭৫ হাজার ৪৯৪ জন। সেখান থেকে আট দিনে পৌঁছাল ১ লাখ ৯৯ হাজারে।

প্রথম মৃত্যুর পর সংখ্যা হাজার ছাড়ায় গত ১০ জুন, ওই দিন পর্যন্ত দেশে মোট মৃত্যুর সংখ্যা ছিল ১ হাজার ১২ জন। আর ৫ জুলাই মৃত্যুর সংখ্যা ছাড়ায় ২ হাজার। ওইদিন দেশে মৃত্যুর সংখ্যা ছিল ২ হাজার ৫২ জন। বাকি বারো দিনে মৃত্যুর তালিকায় যুক্ত হলো আরও প্রায় ৪৯৫ জনের নাম।

তবে আশা জাগানিয়া ব্যাপার হলো সুস্থতার হার প্রতিদিনই বাড়ছে। চব্বিশ ঘণ্টায় ১ হাজার ৭৬২ জনসহ দেশে মোট করোনাজয়ী দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৮ হাজার ৭২৫ জনে।

সবশেষ তথ্যানুযায়ী, দেশে করোনাভাইরাসের নমুনা পরীক্ষার বিবেচনায় শনাক্তের হার ২২.৫৪ শতাংশ, শনাক্ত বিবেচনায় মৃত্যুর হার ১.২৮ শতাংশ এবং সুস্থতার হার ৫৪.৫৪ শতাংশ।

সুস্থ ও মৃতদের সংখ্যা বাদ দিলে দেশে বর্তমানে ‘অ্যাকটিভ’ করোনারোগী আছে ৮৮ হাজার ৮৫ জন।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত