বরিশালের হিজলা উপজেলা সংলগ্ন মেঘনা নদীতে এমভি ফারহানা মোমেন নামে সিমেন্ট বোঝাই একটি জাহাজ ডুবে গেছে। এঘটনায় কেউ হতাহত হয়নি। তবে ১৩০০০ বস্তা সিমেন্ট বোঝাই জাহাজটি ডুবে যাওয়ায় ঢাকা-বরিশাল নৌপথে ঝুঁকি বেড়ে গেছে বলে দাবি নৌযান চালকদের।
শনিবার বিকেল ৩টার দিকে উপজেলার ধুলখোলা ইউনিয়নের মিয়ারচর নামক স্থান অতিক্রমের সময় অতিরিক্ত ঢেউয়ের মুখে পড়ে সিমেন্ট বোঝাই ওই জাহাজটি ডুবে যায়।
বিআইডব্লিউটিএর বন্দর ও পরিবহনের যুগ্ম পরিচালক আজমল হুদা মিঠু সরকার বলেন, অতিরিক্ত বোঝাই এবং তীব্র স্রোতের কারণে জাহাজটি ডুবে যায়। তবে এতে কোন হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। জাহাজে থাকা সকলেই অক্ষত অবস্থায় তীরে উঠতে সক্ষম হয়েছে। এ ঘটনায় বিআইডব্লিউটিএর পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
জাহাজের মাস্টার শামছুদ্দিন জানান, সকালে ১৩ হাজার বস্তা শাহ সিমেন্ট নিয়ে নারায়ণগঞ্জ থেকে যশোরের নওয়াপাড়ার উদ্দেশে রওয়ানা দেন তারা। মিয়ারচর অতিক্রমের সময় প্রচণ্ড ঢেউ ও স্রোতের মাঝে পড়ে জাহাজটি ডুবে যায়। এ সময় জাহাজটির একটি অংশ চরে উঠে যায় এবং পরে জাহাজটি সিমেন্টসহ তলিয়ে যায়।
ডুবে যাওয়ার মুহূর্তে জাহাজে থাকা মাস্টার আমির হোসেন, ড্রাইভার সামসুদ্দিন, গ্রিজার আনিস, সুকানী রাজু, লস্কর জুয়েল, এমরান, মাজহারুল, জাকারিয়া ও বাবুর্চি সিরাজুল নদীতে ঝাঁপিয়ে পড়লে নদীতে থাকা জেলে নৌকার মাঝিরা এগিয়ে এসে তাদেরকে উদ্ধার করে।
ঘটনার পরপরই হিজলা নৌ থানা পুলিশ ছুটে গিয়ে জাহাজের স্টাফদের নিরাপদে সরিয়ে নেয়। এ ঘটনায় এমভি ফারহানা মোনেম এর স্টাফরা হিজলা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেছে।
এদিকে ঢাকা বরিশাল নদী পথে মিয়ার চরে বারবার কার্গোডুবির ঘটনায় নৌপথ ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে দাবি করেছে ঢাকা বরিশার নদী পথে বিলাসবহুল লঞ্চের একাধিক চালক।
