সোনাগাজী উপজেলার আমিরাবাদ ইউনিয়নের বাদামতলি গ্রামে বাক্প্রতিবন্ধী কিশোরী (১৩ )-কে ধর্ষণের অভিযোগে পলাশ (২৭) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ ।
শনিবার রাতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। সে উপজেলার বগাদানা ইউনিয়নের কাজীরহাট সংলগ্ন মাঝি বাড়ির আবদুল জলিলের ছেলে। ধর্ষিত বাক্প্রতিবন্ধী কিশোরী অভিযুক্তের চাচাতো শ্যালকের মেয়ে। সম্পর্কে তারা ফুপা-ভাতিজি। বিয়ের পর পলাশ ঘরজামাই হয়ে বাদামতলী গ্রামে শ্বশুর বাড়িতে বসবাস করতেন।
এ ঘটনায় শনিবার কিশোরীর বাবা আবদুল কুদ্দুস মফিজ বাদী হয়ে সোনাগাজী থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন।
মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, গত শুক্রবার বিকেলে ওই বাকপ্রতিবন্ধী কিশোরী নিজের ঘরে একা ঘুমিয়েছিল। ঘরে তার মা বাবা কেউ ছিলেন না। এ সময় তার চাচাতো ফুফুর জামাতা পলাশ কৌশলে কিশোরীর কক্ষে প্রবেশ করে ধর্ষণ করে। ঘটনাটি জানাজানি হলে পলাশ পালিয়ে আত্মগোপন করে।
এদিকে রবিবার দুপুরে অভিযুক্ত পলাশ ও ভিকটিম কিশোরীকে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মডেল থানার উপপরিদর্শক নুর করিম ফেনীর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ধ্রুব জ্যোতি পালের আদালতে হাজির করেন।
সোনাগাজী মডেল থানার ওসি মো. সাজেদুল ইসলাম জানান, অভিযুক্ত পলাশ আদালতে দোষ স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি প্রদান এবং বাকপ্রতিবন্দি বিশেষজ্ঞের উপস্থিতিতে কিশোরী ২২ ধারায় জবানবন্দি প্রদান করেছে। পরে আদালত অভিযুক্তকে ফেনী কারাগারে প্রেরণ করে ও কিশোরীকে তার পরিবারের জিম্মায় হস্তান্তর করেন।
