অনেকদিন ধরে পেটের ব্যথায় ভুগছেন জাতীয় দলের ওপেনিং ব্যাটসম্যান তামিম ইকবাল। দেশে সমাধান না পেয়ে চিকিৎসার জন্য দ্বারস্থ হয়েছেন লন্ডনের একটি হাসপাতালের। সেখানে অনেকগুলো টেস্ট দিয়ে শনিবার ঈদের দিন ফিরেছেন দেশে।
দেশে ফিরে বাংলাদেশ ওয়ানডে দলের অধিনায়ক জানিয়েছেন, টেস্টের রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পর বোঝা যাবে তার রোগ। আর এই জন্য লাগতে পারে আরও ৭ থেকে ১০ দিন।
তিন মাসে বেশি সময় ধরে পেটের ব্যথায় ভুগছিলেন তামিম। প্রথমে সেটা সাধারণ ব্যথা মনে করেছিলেন। কিন্তু না, প্রায়ই দেখা দেয় এই ব্যথা। কখনো কখনো ১২ ঘণ্টাও স্থায়ী হয়।
দেশের চিকিৎসকেরা সমস্যাটা ধরতে পারছিলেন না। তামিম জানান, এই ব্যথা যখন হয় তখন শরীর কুঁকড়ে যায় যন্ত্রণায়। তাই উন্নত চিকিৎসার জন্য গত ২৫ জুলাই লন্ডনে যান দেশসেরা এই ব্যাটসম্যান।
ধারণা করা হচ্ছিল, চিকিৎসার জন্য লম্বা সময় লন্ডনে থাকতে হবে তামিমকে। কিন্তু যাবতীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা সম্পন্ন হয়ে যাওয়ায় এক সপ্তাহ পরই ফিরতে পেরেছেন ৩১ বছর বয়সী এই ক্রিকেটার।
দেশে ফিরে নিজের শরীরে অবস্থা ও চিকিৎসার অগ্রগতি প্রসঙ্গে প্রথমসারির একটি অনলাইন নিউজ পোর্টালকে তামিম বলেন, “লন্ডনে অনেকগুলো টেস্ট করানো হয়েছে আমার। অনেক সময় নিয়ে টেস্টগুলো করেছেন তারা। সবগুলো টেস্টের রিপোর্ট আসতে আরও ৭ থেকে ১০ দিন লাগবে।”
“এ জন্য ডাক্তারই বললেন, এত দিন অপেক্ষা না করে চাইলে দেশে ফিরতে পারি। রিপোর্ট পাওয়ার পর তারা যদি মনে করেন যে ওষুধেই সেরে যাবে, তাহলে অনলাইনেই পরামর্শ দেবেন। আর সার্জারির মতো কিছুর প্রয়োজন হলে আমাকে আবার লন্ডন যেতে হবে।”
“চেষ্টা করেছিলাম রোগের ধরন সম্পর্কে ডাক্তারের কাছ থেকে একটু ধারণা পেতে। কিন্তু সব রিপোর্ট না দেখে তারা কিছুই বলতে চাননি। আপাতত অপেক্ষা করা ছাড়া উপায় নেই।”
করোনা মহামারির মধ্যেই বিসিবি’র তত্ত্বাবধানে অনেক ক্রিকেটার একক অনুশীলনে ফিরেছেন। ঈদের ছুটি শেষে আবার অনুশীলন শুরু হবে ৮ বা ৯ আগস্ট। তবে অনুশীলন শুরু করা নিয়ে এখনো সিদ্ধান্ত নেননি বলে জানালেন তামিম।
