অঙ্কুশ-ঐন্দ্রিলার বন্ধুত্ব ও প্রেমের সম্পর্ক দশ বছরের। রিয়েল লাইফের এই জুটি বড়পর্দায় আসছেন রাজা চন্দের ‘ম্যাজিক’ শিরোনামের ছবিতে। সোমবার হয়ে গেল মহরত।
সেখান থেকে জানা গেল, লকডাউনে একসঙ্গে ছিলেন অঙ্কুশ ও ঐন্দ্রিলা। তাই ঘনিষ্ঠ দৃশ্যে কোনো সমস্যা হবে বলে ভাবছেন তারা।
মহরত প্রসঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকাকে ঐন্দ্রিলা বলেন, ‘‘মহরতের পুজো দেখে সরস্বতী পুজোর কথা মনে হচ্ছে। মাস্ক পরেও আজ অনেক দিন পরে সেজেছি। লিপস্টিকগুলো তো কান্নাকাটি করছিল। মাকেও নিয়ে এসেছি। করোনাও থাকবে আর সাবধানতা মেনে কাজও করতে হবে। আর কত দিন? এবার তো বাড়ি বসে ডিপ্রেশন হয়ে যাবে!’’
অঙ্কুশ বললেন, ‘‘অনেক আগেই এই ছবির কাজ শুরু করার কথা ছিল। সেপ্টেম্বরে হলে আসবে ভেবেছিলাম। যাই হোক, সব রকম সুরক্ষার কথা মাথায় রেখেই শুট হবে।’’
রোম্যান্টিক থ্রিলার এই করোনাকালে কেমন করে শুট হবে? এই প্রশ্নের চটপট উত্তর দিলেন অঙ্কুশ, ‘‘লকডাউন থেকেই আমি ও ঐন্দ্রিলা একসঙ্গে। এই ছবিতে নায়ক-নায়িকা আলাদা হলে সংক্রমণের কথা ভেবে ইন্টিমেট সিন করতে সত্যি অসুবিধা হত। আমি আর ঐন্দ্রিলা আমাদের নতুন ছবিতে সহজেই দু’জনকে চুমু খেতে পারব।’’
ঐন্দ্রিলার গলাতেও সেই রোমাঞ্চের সুর। তিনি বললেন, ‘‘ন’বছর ধরে বিক্রম ছাড়া আর কোনো হিরো জোটেনি আমার। উফ্ফ্, এবার অঙ্কুশের সঙ্গে কাজ। অনেক দিনের ইচ্ছা! আমরা ছবিতে একে অন্যকে অনায়সে জড়িয়ে ধরতে পারব। আমাদের জীবনের কেমিস্ট্রি ছবিতে কাজ করবে।’’
পরিচালক রাজা চন্দ বলেন, ‘‘আমার ছবি মানেই কমার্শিয়াল ছবি। তবে এবার শহর এবং গ্রাম যাতে একসঙ্গে আমার ছবি দেখে তার কথা ভেবেই নতুন ভাবনা নিয়ে আসছি। আর মাস্ক থেকে ফ্লোর স্যানিটাইজ, সব কিছুর দিকে কড়া নজর রাখা হচ্ছে।’’
আগস্টে ছবির কাজ শেষ করে সেপ্টেম্বরে পোস্ট প্রোডাকশনের কথা ভাবছেন পরিচালক। তার পরের বিষয়টা প্রযোজক আর সিনেমা হল খোলার উপর নির্ভর করছে।
ছবিতে এই জুটি ছাড়াও থাকছেন পায়েল সরকার, দেবশঙ্কর হালদার, বিদিপ্তা চক্রবর্তী প্রমুখ।
