ট্রায়াল সাময়িকভাবে স্থগিত হলেও চলতি বছরের শেষ নাগাদ অক্সফোর্ডের ভ্যাকসিনের বিষয়ে একটা সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর আশা করছে ব্রিটিশ ফার্মাসিউটিক্যালস কোম্পানি অ্যাস্ট্রাজেনেকা।
কোম্পানিটির সিইও পাস্কাল সরিওট বৃহস্পতিবার অনলাইন ইভেন্টে বলেন, ‘ট্রায়াল দ্রুত শুরু হলে ২০২০ সালের ভেতরেই আমাদের ফলাফল পাওয়া উচিত। আশ করছি সেটি ইতিবাচকই হবে।’
একজন ব্রিটিশ অংশগ্রহণকারী ‘অজ্ঞাত অসুস্থতায়’ পড়ায় অক্সফোর্ডের ভ্যাকসিনের তৃতীয় ধাপের ট্রায়াল মঙ্গলবার থেকে সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে অ্যাস্ট্রাজেনেকা। স্থগিতের সিদ্ধান্তকে তারা ‘নিয়মিত কার্যক্রম’ হিসেবে বর্ণনা করেছে।
সরিয়ট এদিন বলেন, ‘আমরা এখনো তার অসুস্থতার আসল কারণ জানতে পারিনি। এ জন্য একটি স্বাধীন কমিটি গঠন করা হয়েছে।’
এর আগেও একবার টিকাটির ট্রায়াল স্থগিত করা হয়। তৃতীয় ধাপের ট্রায়ালে এমনটি হতে পারে। সেক্ষেত্রে কয়েক দিন বিরতি দিয়ে আবার সাধারণত ট্রায়াল শুরু হয়।
একটি ভ্যাকসিনের চূড়ান্ত অনুমোদনের আগে তিনটি ট্রায়াল হয়ে থাকে। প্রথম দুটিতে অল্প মানুষকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। তৃতীয় অর্থাৎ চূড়ান্ত ধাপের ট্রায়ালে কয়েক হাজার মানুষের শরীরে ভ্যাকসিন প্রয়োগ করা হয়। তাই এই ধাপটিই সবচেয়ে চ্যালেঞ্জিং।
অক্সফোর্ড এবং ট্রায়ালে সহায়তা করা অ্যাস্ট্রাজেনেকা আগে দাবি করে, প্রথম দুই ধাপের ট্রায়ালে তাদের টিকা ‘নিরাপদ এবং কার্যকরী’ প্রমাণিত হয়েছে।
তারা এখন বলছে, ‘বড় ধরনের ট্রায়ালে অসুস্থতা দেখা দেয়ার শঙ্কা থাকে, তবে অবশ্যই সেটি স্বাধীনভাবে এবং সতর্কতার সঙ্গে বিশ্লেষণ করতে হবে।’
নতুন ভ্যাকসিন অধিকাংশ সময় প্রত্যাশা অনুযায়ী ফল দেয় না। এ ক্ষেত্রে সেটি হলে পুরো প্রক্রিয়া নতুন করে সাজানো হতে পারে। ডোজের মাত্রা পাল্টানো হতে পারে। অথবা প্রোগ্রামটি বন্ধ করা হতে পারে।
