অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে করা মামলায় কারা অধিদপ্তরের উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) বজলুর রশীদের স্থাবর সম্পত্তি ক্রোক ও দু’টি ব্যাংক হিসাব জব্দের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
মঙ্গলবার ঢাকার বিশেষ জজ -৫ এর বিচারক ইকবাল হোসেন এ নির্দেশ দেন। এছাড়াও তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত।
এদিন মামলার অভিযোগ গঠন শুনানির জন্য দিন ধার্য ছিল। আজ বজলুকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়। এ সময় দুদকের আইনজীবী মোশাররফ হোসেন কাজল তার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করতে শুনানি করেন।
অপরদিকে তার আইনজীবী অভিযোগ গঠন শুনানি পেছাতে সময়ের আবেদন করেন। আদালত সময়ের আবেদন মঞ্জুর করে ২২ অক্টোবর অভিযোগ গঠন শুনানির জন্য পরবর্তী দিন ধার্য করেন।
এছাড়া দুদকের আইনজীবী তার স্থাবর সম্পত্তি ক্রোক ও দু’টি ব্যাংক হিসাব ফ্রিজের আবেদন করেন। আদালত আবেদন মঞ্জুর করেন।
অপরদিকে বজলুর আইনজীবী জামিনের আবেদন করেন। আদালত তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন।
এর আগে ২৬ আগস্ট ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশের আদালতে বজলুর বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের উপ-পরিচালক নাসির উদ্দিন।
২০১৯ সালের ২০ অক্টোবর সকালে বজলুর রশীদ ও তার স্ত্রীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডেকেছিল দুদক। জিজ্ঞাসাবাদের পর বজলুরকে গ্রেপ্তার করা হয়।
দুদক সূত্র জানায়, বজলুর রশীদ ও তার স্ত্রী রাজ্জাকুন নাহারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন দুর্নীতির অভিযোগে সেদিন সকালে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হয়। দুদকের পরিচালক মোহাম্মদ ইউসুফের নেতৃত্বে একটি টিম তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করে। দুদকের কাছে অভিযোগ ছিল, ঘুষের কোটি কোটি টাকা কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে আসতো রশীদের কাছে। দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে পাঠানো এসব টাকা তুলেছেন তার স্ত্রী রাজ্জাকুন নাহার। জিজ্ঞাসাবাদে বজলুর সংশ্লিষ্টতার প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
