কিস্তির টাকা চাওয়ায় ব্যাংক কর্মীর গলাকেটে লাশ রাখা হলো টয়লেটে!

আপডেট : ০২ অক্টোবর ২০২০, ০৯:২১ এএম

কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে নুরুজ্জামান (৩৮) নামে গ্রামীণ ব্যাংকের এক কর্মীর গলাকাটা লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। কিস্তির টাকা চাওয়ায় তাকে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ স্থানীয় গ্রামীণ ব্যাংক শাখার কর্মকর্তার।

বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে উপজেলার ফিলিপনগর দফাদার পাড়া গ্রামের মমিন দফাদারের বাড়ির টয়লেটের দরজা ভেঙে নুরুজ্জামানের মরদেহ উদ্ধার করে দৌলতপুর থানা পুলিশ।

নিহত নুরুজ্জামান গ্রামীণ ব্যাংক হোসেনাবাদ শাখায় সুপারভাইজার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তিনি খলিশাকুন্ডি ইউনিয়নের কামালপুর গ্রামের আবদুল মোতালেবের ছেলে।

গ্রামীণ ব্যাংক হোসেনাবাদ শাখার ব্যবস্থাপক মো. সালাউদ্দিনের অভিযোগ, বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে নুরুজ্জামান ক্ষুদ্রঋণের কিস্তি আদায়ে ঘটনাস্থল দফাদারপাড়ার ঋণ গ্রহীতা মোমিন দফাদারের স্ত্রী হীরা খাতুনের বাড়িতে যান।

এ সময় কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে তাকে ধরে মারধর করে এবং ধারালো অস্ত্রের আঘাতে হত্যা করে টয়লেটে লাশ রেখে বাড়ির সবাই পালিয়ে যায়।

নুরুজ্জামানের চাচাতো ভাই শাওন জানান, অন্যান্য দিনের মতো নির্ধারিত সময়ে বাড়ি না ফেরায় পরিবারের পক্ষ থেকে কর্মস্থল হোসেনাবাদ গ্রামীণ ব্যাংকে খোঁজ করলে তারা জানান, নুরুজ্জামান সকালে কিস্তি আদায়ে বের হয়ে আর ফেরত আসেনি। বিষয়টি সন্দেহজনক হওয়ায় থানায় খবর দেয় পরিবার।

পরে পুলিশ সম্ভাব্য জায়গায় তল্লাশির সময় স্থানীয় বাসিন্দা মোমিন দফাদারের বাড়ির দরজা ভেঙে টয়লেট থেকে গলাকাটা অবস্থায় নুরুজ্জামানের মৃতদেহ উদ্ধার করে।

দৌলতপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জহুরুল আলম জানান, গ্রামীণ ব্যাংকের এক কর্মী সকালে কিস্তি আদায়ে বের হয়ে আর ফিরে আসেনি এমন সংবাদ পেয়ে অনুসন্ধানে বের হয় পুলিশ। একপর্যায়ে ঘটনাস্থল মমিন দফাদারের বাড়ির টয়লেটের ভেতর থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

তিনি জানান, মরদেহ কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। তবে এ ঘটনায় এখনো কাউকে আটক বা গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত