করোনার কারণে স্থগিত হওয়া মৌসুমের বকেয়া ও নতুন মৌসুমের পারিশ্রমিক জটিলা নিয়ে আবারো ফুটবলের বড় কর্তা কাজী সালাউদ্দিনের সঙ্গে বসেছিলেন ফুটবলাররা। টানা চতুর্থবার বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) সভাপতি নির্বাচিত হওয়া সালাউদ্দিন সবাইকে দাবি পূরণের আশ্বাস দিয়েছেন। খেলোয়াড়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে তারা ফিরেছেন সন্তুষ্ট হয়েই।
করোনার কারণে গত মৌসুমে অর্ধেক সময়ও খেলা হতে পারেনি। লিগ বাতিল হলেও দেশি খেলোয়াড়দের চুক্তি ও পারিশ্রমিক নিয়ে জটিলতা রয়ে যায়। যা নিয়ে খেলোয়াড়রা কয়েক দফা সভাপতি সালাউদ্দিনের সঙ্গে দেখা করেন। বাফুফে আনুষ্ঠানিকভাবে ফুটবলার ও ক্লাবের কথা শুনে।
কিন্তু নির্বাচনের আগে খেলোয়াড়দের চুক্তি ও পারিশ্রমিক নিয়ে বাফুফের লিগ কমিটি যে সিদ্ধান্ত নেয়, তা যায় ক্লাবগুলোর পক্ষে। বলতে গেলে ভোটের লড়াইয়ের আগে ক্লাবগুলোকেই খুশি করে ফেডারেশন। তাদের দাবি অনুযায়ী সিদ্ধান্ত হয়, আগের দলবদলেই নতুন মৌসুমে খেলবেন খেলোয়াড়রা। আর বাতিল হয়ে যাওয়া মৌসুমে ক্লাবের সঙ্গে খেলোয়াড়দের যে চুক্তি ছিল, নতুন মৌসুমে সেটির ২৫ শতাংশ পাবেন খেলোয়াড়েরা।
কিন্তু খেলোয়াড়দের দাবি ছিল ৫০ শতাংশ পারিশ্রমিক। নির্বাচনের পর ফুটবলাররা মঙ্গলবার নিজেদের দাবি নিয়ে আবারো বাফুফে সভাপতির কাছে যান। সালাউদ্দিন ৪০ শতাংশ করে দেওয়ার নিশ্চয়তা দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন শেখ রাসেল ক্রীড়া চক্রের গোলরক্ষক আশরাফুল ইসলাম রানা।
সভা শেষে জাতীয় দলের এই গোলরক্ষক বলেন, ‘সভাপতি আমাদের আশ্বস্ত করেছেন আগের মৌসুমের চুক্তি অনুযায়ী নতুন মৌসুমে ৪০ ভাগ পারিশ্রমিক দেওয়া হবে। আগের মৌসুমের যে টাকা বাকি আছে, তার ৪৫ শতাংশ নতুন মৌসুম শুরুর আগে দেওয়ার কথা। সালাউদ্দিন ভাইয়ের কথায় আমরা আশ্বস্ত হয়েছি। সভাপতি হিসেবে তার কথাকে আমরা সম্মান জানাই। আমরা এতে সন্তুষ্ট।’
বিষয়টি লিগ কমিটির পরবর্তী সভায় আনুষ্ঠানিকভাবে উপস্থাপন করা হবে বলে জানিয়েছেন বাফুফে সাধারণ সম্পাদক আবু নাঈম সোহাগ। তিনি বলেন, ‘নতুন মৌসুমে খেলোয়াড়দের পারিশ্রমিক যেন ৪০ শতাংশ করা হয়, বিষয়টা নিশ্চিত করতে আগামী পেশাদার লিগ কমিটির সভায় তোলা হবে।’
