সাভারে পাওনা টাকা আনতে গিয়ে এক গৃহবধূ (২৩) এবং বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে এক কিশোরীকে (১৭) ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। শনিবার রাতে পৃথক দুটি ঘটনায় সাভার মডেল থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
থানা-পুলিশ জানায়, নারায়ণগঞ্জ জেলার বন্দর থানার ধামগড় গ্রামে একটি বাড়িতে স্বামীকে নিয়ে বসবাস করে ওই গৃহবধূ। তিন বছর আগে তার স্বামী সাভার মডেল থানাধীন শ্যামলাপুর মৌজায় মো. মোস্তফা কামাল নামে এক ব্যক্তিকে সাত লাখ টাকা দিয়ে একটি জায়গা কেনার উদ্দেশ্যে বায়না করে। পরবর্তীতে মোস্তফা জায়গা বিক্রি না করে সাড়ে পাঁচ লাখ টাকা ফেরত দেয়। শনিবার সকালে ভুক্তভোগী ওই গৃহবধূকে তার স্বামীর পাওনা টাকা ফেরত দেওয়ার কথা বলে সাভারে নিয়ে আসে। পরে ওই গৃহবধূকে সাভারের ভাকুর্তা এলাকায় একটি খামার বাড়িতে নিয়ে অজ্ঞাত পরিচয় আরও তিনজনের সহযোগিতায় ধর্ষণ করে অভিযুক্ত মোস্তফা কামাল। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী গৃহবধূ বিষয়টি জানিয়ে সাভার মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন।
অন্যদিকে, হেমায়েতপুর এলাকায় গৃহপরিচারিকা এক কিশোরীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে জিয়া (৪০) নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। জিয়া রাজধানীর হাজারীবাগের গণকটুলি এলাকার মৃত হেলাল মেম্বারের ছেলে। সে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ভুক্তভোগী কিশোরীকে বিভিন্ন সময় ধর্ষণ করে আসছিল। কিছুদিন আগে তাদের দুজনকে আপত্তিকর অবস্থায় দেখতে পায় জিয়ার স্ত্রী। পরে অভিযুক্ত জিয়া ওই কিশোরীকে তার দেশের বাড়ি হবিগঞ্জ পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে হেমায়েতপুর এলাকায় একটি কক্ষ ভাড়া নিয়ে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে আবারও ধর্ষণ করে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ওই কিশোরী বিয়ের চাপ দিলে তাকে ভয়ভীতি দেখিয়ে চলে যায় অভিযুক্ত জিয়া। পরে বিষয়টি জানিয়ে শনিবার রাতে সাভার মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেছে ভুক্তভোগী ওই কিশোরী।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে সাভার মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) সাইফুল ইসলাম মামলা দায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
