দেশের প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেল হলিউডের দুই ছবি

আপডেট : ২০ নভেম্বর ২০২০, ১০:২৭ পিএম

দেশের প্রেক্ষাগৃহে একসঙ্গে দু’টি হলিউডের ছবি মুক্তি পেল। ২০ নভেম্বর থেকে ছবি দুটি  স্টার সিনেপ্লেক্সে প্রদর্শিত হচ্ছে।  ছবি দু’টি হলো, ‘ফোর্স অব ন্যাচার’ এবং ‘দ্য রেন্টাল’। মাইকেল পলিশ পরিচালিত অ্যাকশন ছবি ‘ফোর্স অব ন্যাচার’-এ অভিনয় করেছেন মেল গিবসন, কেট বসওয়ার্থ, এমিলি হার্শ, ডেভিড যায়াস প্রমুখ। অন্যদিকে, ডেভ ফ্রাঙ্কো পরিচালিত থ্রিলার ছবি ‘দ্য রেন্টাল’-এ অভিনয় করেছেন ড্যান স্টিভেন্স, অ্যালিসন ব্রি, জেরেমি অ্যালেন হোয়াইট, টবি হাজসহ আরও অনেকে।

প্রলয়ংকরী ঘূর্ণিঝড় হারিকেন চলাকালীন নিরাপত্তাবাহিনী যখন একটি ভবনের লোকজনকে সরিয়ে নেয়ার চেষ্টা করছিল তখন সেখানে ডাকাতি করতে যায় একদল ডাকাত। তাদের সঙ্গে পুলিশের পাল্টাপাল্টি আক্রমণ এবং রুদ্ধশ্বাস উদ্ধার অভিযানের গল্প নিয়ে আবর্তিত হয়েছে ‘ফোর্স অব ন্যাচার’-এর গল্প।

চার্লি ও তার স্ত্রী মিশেল, ভাই যশ এবং ব্যবসায়িক পার্টনার মিনা সাপ্তাহিক ছুটি কাটাতে সমুদ্র তীরবর্তী একটি বাড়ি ভাড়া নেয়। বিচ্ছিন্ন জায়গাটায় আশেপাশে আর কোন বাড়ি ঘর নেই। বাড়ির কেয়ারটেকার টেইলর রূঢ় স্বভাবের। মিনাকে দেখে এমন মন্তব্য করে যা খুব বিরক্তিকর। টেইলর যাওয়ার পর মিনা, যশ, চার্লি উপরে যায় আর মিশেল ঘুমাতে যায়। যশ আলাদা হওয়ার পর চার্লি ও মিনা একসঙ্গে শাওয়ারে যায় এবং শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হয়। যশ মিশেলকে জানায়, চার্লি এর আগেও অনেক মেয়ের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক করেছে এবং প্রতারণা করেছে। এতে চার্লির প্রতি সন্দেহ তৈরি হয় মিশেলের। পরদিন সকালে মিনা এবং চার্লি একে অন্যকে কথা দেয় তারা আর ঘনিষ্ঠ হবে না। এদিকে, বাথরুমের উপরে একটি ছোট ক্যামেরা আবিস্কার করে এবং চার্লিকে বিষয়টা জানায়। দু’জনেই মনে করে কেয়ারটেকার টেইলর ক্যামেরাটা বসিয়েছে এবং তাদের ঘনিষ্ঠতার দৃশ্যধারণ করেছে। মিনা পুলিশকে জানাতে চাইলে চার্লি তাকে থামায়। পুলিশ তদন্ত করতে আসলে মিশেল এবং যশ তাদের গোপন ফুটেজ দেখে ফেলবে তাই পুলিশকে জানাতে চায় না। পরদিন সকালে তারা সেখান থেকে চলে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। রাতে মিনা ব্যক্তিগতভাবে টেইলরের সঙ্গে ক্যামেরার বিষয়ে কথা বলে। টেইলর অস্বীকার করে এবং সে পুলিশকে বিষয়টা জানাতে চায়। মিনা তাকে থামাতে চেষ্টা করে। হঠাৎ যশ এসে টেইলর মিনাকে আক্রমণ করেছে ভেবে তাকে মেরে আহত করে। ক্যামেরার বিষয়টা সবাইকে জানিয়ে দেয় মিনা। এরইমধ্যে মুখোশধারী একজন ভেতরে এসে টেইলরকে খুন করে চলে যায়। সবাই ভেবেছিল দুর্ঘটনাক্রমে যশ খুনটা করেছে। মিশেল পুলিশকে খবর দিতে চায় কিন্তু চার্লি চায় না তার ভাই কারাগারে যাক। টেইলরের লাশটা গোপনে সমুদ্রে ফেলে দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। এদিকে, চার্লি এবং মিনার গোপন ভিডিওটি টেলিভিশনে দেখে মিশেল। চলে যাওয়ার জন্য বের হয়ে গেলে চার্লি এসে তাকে থামানোর চেষ্টা করে কিন্তু পারে না। মিশেলের ফোন থেকে একটা মেসেজ পেয়ে মিশেলকে খুঁজতে বের হয় চার্লি। পথে মিশেলের লাশ পড়ে থাকতে দেখে। যশ এবং মিনা তখন ভিডিও ফুটেজটি ধ্বংস করার চেষ্টা করছিলো। এ সময় যশ কারো আওয়াজ শুনতে পেয়ে বাইরে যায়। যেতে না যেতেই কেউ একজন ধাক্কা দিয়ে ফেলে খুন করে তাকে। কে এই খুনি? কি তার রহস্য? এই রহস্যের জাল ছিন্ন করার ভয়ানক কাহিনী নিয়েই নির্মিত হয়েছে ‘দ্য রেন্টাল’।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত