ভারতের বিতর্কিত নাগরিকত্ব আইনের প্রতিবাদে শাহিনবাগ আন্দোলনের অন্যতম মুখ বিলকিস দাদির নামে মন্তব্য করে ফাঁসলেন কঙ্গনা রনৌত।
বিলকিস দাদিকে টাকা দিয়ে দিল্লির কৃষক আন্দোলনে শামিল করা হয়েছে বলে দাবি করেন বলিউড অভিনেত্রী। এ নিয়ে ট্রলেরও শিকার হয়েছেন তিনি।
কঙ্গনার বিরুদ্ধে অভিযোগ, কৃষক আন্দোলনের অন্যতম মুখ পাঞ্জাবের মাহিন্দর কাউরকে তিনি বিলকিস দাদি বলে চিহ্নিত করেছেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বলিউড তারকা বলেন, ‘শাহিনবাগের বিলকিস দাদির হাতে ১০০ রুপি গুঁজে দিয়ে তাকে কৃষক আন্দোলনের মুখ হিসেবে শামিল করা হয়েছে।’
এবার এমন ভুয়া মন্তব্যের জেরেই কঙ্গনাকে আইনি নোটিস পাঠান হরকম সিং নামে পাঞ্জাবের জিরাকপুরের এক আইনজীবী।
হরকম সিংয়ের ভাষ্য, কৃষক আন্দোলন নিয়ে কোনও মন্তব্য করার আগে কিংবা কোনও পোস্ট শেয়ার করার আগে কঙ্গনার উচিত ছিল সবকিছু ভালো করে জানা। পাঞ্জাবের ভাটিন্ডার বাসিন্দা
মাহিন্দর কাউর তার সারা জীবন কৃষিকাজের সঙ্গে যুক্ত থেকেছেন। মাহিন্দর কাউর ভাটিন্ডার কৃষক লব সিং নমবরদারের স্ত্রী।
তাই মাহিন্দরকে বিলকিস দাদি বলে চিহ্নিত করে, তা সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করা গুরুতর অপরাধের মতোই। কঙ্গনার যা করেছেন, তা একেবারেই অনভিপ্রেত বলে মন্তব্য করেন হরকম জানান।
তিনি বলেন, ‘বিলকিস দাদির সঙ্গে মাহিন্দর কাউরকে গুলিয়ে ফেলে নিজের মত প্রকাশ করার জন্য কঙ্গনাকে আগামী এক সপ্তাহের মধ্যেই ক্ষমা চাইতে হবে।’
এদিকে মঙ্গলবার বিলকিস দাদিকে হরিয়ানা-দিল্লি সীমান্ত থেকে আটক করেছে পুলিশ। শাহিনবাগের বিক্ষোভে আপসহীন অ্যাকটিভিস্ট হিসেবে পরিচিতি পান এ মুসলিম নারী।
এ বছর দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বিলকিস দাদির নামও উঠে আসে মার্কিন প্রভাবশালী ম্যাগাজিন টাইম নির্বাচিত বছরের ১০০ প্রভাবশালী ব্যক্তির তালিকায়।
