লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলায় গতকাল শুক্রবার পৃথক স্থানে ট্রেনে কাটা পড়ে দুজন মারা গেছেন। সকালে ও দুপুরে লালমনিরহাট-বুড়িমারী রেলরুটের কালীগঞ্জ উপজেলার কাকিনা স্টেশন এলাকার শান্তিগঞ্জে এ দুর্ঘটনা ঘটে। একই দিন নরসিংদীর রায়পুরায় ট্রেনে কাটা পড়ে নজরুল ইসলাম (৬০) নামে এক ব্যক্তি মারা গেছেন।
কালীগঞ্জে মারা যাওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে মোটরসাইকেল আরোহী রহিদুল ইসলাম এমরান (২৫) উপজেলার দলগ্রাম ইউনিয়নের সাদেকুল ইসলাম রইসুলের ছেলে। অন্যজন মানসিক ভারসাম্যহীন বলে জানা গেছে। তবে তার পরিচয় জানা যায়নি।
স্থানীয়রা জানান, লালমনিরহাট থেকে ছেড়ে আসা বুড়িমারীগামী একটি ট্রেন সকালে শান্তিগঞ্জ এলাকার রেলক্রসিং পার হওয়ার সময় এক মানসিক প্রতিবন্ধী পথচারী ট্রেনে কাটা পড়ে মারা যান। ওই ট্রেনটি লালমনিরহাট অভিমুখে কাকিনা স্টেশন পার হয়ে শান্তিগঞ্জ বাজারের রেলক্রসিংয়ে মোটরসাইকেল আরোহী রহিদুল ইসলামকে ধাক্কা দিলে ছিটকে তিনি ট্রেনের নিচে পড়ে মারা যান।
লালমনিরহাট রেলওয়ে পুলিশের ওসি বাহারুল ইসলাম ঘটনার সত্যাতা নিশ্চিত করেছেন।
নরসিংদীর রায়পুরায় গতকাল সকালে হাঁটুভাঙ্গা রেলক্রসিং পার হওয়ার সময় কিশোরগঞ্জগামী এগারোসিন্দুর এক্সপ্রেস ট্রেনে কাটা পড়ে নজরুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তি মারা গেছেন। নজরুল শিবপুর উপজেলার খৈনকুড় এলাকার মৃত মোগল মিয়ার ছেলে।
যশোর প্রতিনিধি জানান, যশোর শহরতলির খোলাডাঙ্গায় গতকাল বেলা ১১টার দিকে ট্রেনের ধাক্কায় আবদুর রহমান (৪৫) নামে এক মোটরসাইকেল আরোহীর মৃত্যু হয়েছে।
রেল পুলিশের উপপরিদর্শক তারিকুল ইসলাম জানান, সদর উপজেলার মণ্ডলগাতি গ্রামের বাড়ি থেকে ব্যবসায়ী আবদুর রহমান যশোর শহরে আসছিলেন। পথে খোলাডাঙ্গার ধোপাখোলায় রেললাইন পার হওয়ার সময় খুলনা থেকে চিলাহাটিগামী ট্রেনের ধাক্কায় আহত হন তিনি। তাকে যশোর জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
