করোনা ঠেকাতে বিমানকর্মীদের ডায়াপার পরার পরামর্শ

আপডেট : ১১ ডিসেম্বর ২০২০, ০৪:২১ পিএম

যাত্রী ও কর্মীদের করোনা সংক্রমণ থেকে রক্ষা করতে সারা বিশ্বের উড়োজাহাজ কর্মকর্তাদের রীতিমতো গবেষণায় নেমেছেন। তেমনই সময় সিভিল অ্যাভিয়েশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অব চায়না (সিএএসি)-র নির্দেশনা দেখে অনেকের চোখ কপালে উঠেছে।

এক প্রতিবেদনে সিএনএন জানায়, ২৫ নভেম্বর এয়ারলাইন ইন্ডাস্ট্রিকে লক্ষ্য করে বিশেষ কিছু নির্দেশনা দেওয়া হয়।

উড়োজাহাজকে মহামারি থেকে সুরক্ষা ও নিয়ন্ত্রণে কারিগরি নির্দেশনার ষষ্ঠ সংস্করণে কিছু পরামর্শ দেওয়া হয়।

যার মধ্যে ফ্লাইট অ্যাটেনডেন্টদের ডিসপোজেবল বা একবার ব্যবহারযোগ্য ডায়াপার পরতে বলায় শোরগোল তৈরি হয়।

উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ দেশে আসা-যাওয়ার পথে কেবিন ক্রুদের পিপিই পরার পরামর্শও দেওয়া হয়েছে। যেখানে রয়েছে মেডিকেল মাস্কস, ডাবল লেয়ার ডিসপোজেবল মেডিকেল গ্লাভস, গগলস, ডিপসোজেবল হ্যাটস, ডিসপোজেবল প্রটেক্টিভ ক্লথিং ও ডিসপোজেবল সু কভার।

আরও বলা হয়, কেবিন ক্রুদের ডিসপোজেবল ডায়াপার পরার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। যাতে সংক্রমণের ঝুঁকি এড়াতে বিশেষ পরিস্থিতি ছাড়া ল্যাভটরি বা টয়লেট এড়িয়ে চলতে পারেন তারা।

পরামর্শটি নাটকীয় শোনালেও এটা অজানা নয় যে, উড়োজাহাজের টয়লেট জীবাণু সংক্রমণের জন্য কুখ্যাত। গত আগস্টে ইতালি থেকে দক্ষিণ কোরিয়ায় ভ্রমণকালে টয়লেট থেকেই করোনা ছড়ায়। উড়োজাহাজে থাকা এক নারী শুধু টয়লেটেই এন৯৫ মাস্ক ব্যবহার করেননি, যাকে সংক্রমণ ছড়ানোর সম্ভাব্য উৎস হিসেবে দেখা হয়।

কভিড-১৯ ছড়ানোর আগে থেকেই উড়োজাহাজের বাথরুমের নকশা আলোচনায় রয়েছে। মহামারির পর থেকে তা আরও বেড়েছে। এ কারণে নানা ধরনের পরামর্শ এসেছে ইতিমধ্যে। যেমন, জাপান হ্যান্ড-ফ্রি টয়লেটের দরোজার পরীক্ষা করেছে। এ ছাড়া বাথরুম জীবাণুমুক্ত রাখতে বোয়িং ইউভি লাইট ব্যবহার করে ৯৯.৯ শতাংশ সফলতা দাবি করেছে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত