কুষ্টিয়ায় ভাস্কর্য ভাঙচুর: রিমান্ড শেষে আদালতে ২ মাদ্রাসাছাত্র

আপডেট : ১৩ ডিসেম্বর ২০২০, ০৩:৩৬ পিএম

কুষ্টিয়ায় ভাস্কর্য ভাঙচুরের ঘটনায় পুলিশের দায়ের করা মামলায় গ্রেপ্তার দুই মাদ্রাসা ছাত্রকে ৫ দিনের রিমান্ড শেষে আদালতে নেওয়া হয়েছে।

রবিবার দুপুর ২টায় কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে দুই আসামি মাদ্রাসা ইবনে মাসউদের হেফজ বিভাগের ছাত্র আবু বক্কর ওরফে মিঠুন ও সবুজ ইসলাম ওরফে নাহিদকে  আদালতে তোলা হয়।

কুষ্টিয়া সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-০৩ এর বিচারক দেলোয়ার হোসেনের আদালতে তাদের তোলা হয়। তাদের জবানবন্দি গ্রহণ করছেন বিচারক।

ভাস্কর্য ভাঙচুরের ঘটনায় মামলার তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তা কুষ্টিয়ার সদর থানার ওসি (তদন্ত) নিশিকান্ত সরকার জানান, শহরের নির্মাণাধীন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাস্কর্য ভাঙচুরের ঘটনায় গ্রেপ্তারকৃত চারজনকে ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের ১৫(৩) তৎসহ ৪২৭/৩৪ ধারায় মামলায় আদালতে সোপর্দ করে রিমান্ড আবেদন করা হয়। আদালত মঙ্গলবার রিমান্ড শুনানি শেষে মাদ্রাসার দুই ছাত্রের ৫ দিন এবং দুই শিক্ষকের ৪ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

এদের মধ্যে চার দিনের রিমান্ড শেষে শনিবার (১২ ডিসেম্বর) বিকেলে কুষ্টিয়ার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট দেলোয়ার হোসেনের খাস কামরায় গ্রেপ্তার দুই মাদ্রাসার শিক্ষক ও মিরপুর উপজেলার ধুবইল গ্রামের আব্দুর রহমানের ছেলে মো. আল আমীন (২৭) এবং পাবনা জেলার দিয়াড় বামুন্দি গ্রামের আজিজুল মন্ডলের ছেলে মো. ইউসুফ আলী (২৭) স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

রবিবার (১৩ ডিসেম্বর) ৫ দিনের রিমান্ড শেষে দুপুরে অপর দুই আসামি কুষ্টিয়ার জুগিয়া এলাকার “মাদ্রাসা ইবনে মাসউদ (রা.)” এর হেফজ বিভাগের ছাত্র ও মিরপুর উপজেলার শিংপুর গ্রামের সমশের মৃধার ছেলে আবু বক্কর ওরফে মিঠুন (১৯) এবং দৌলতপুর উপজেলার ফিলিফনগর গ্রামের সামছুল আলমের ছেলে সবুজ ইসলাম ওরফে নাহিদকে (২০) আদালতে হাজির করা হয়েছে।

শুক্রবার (৪ ডিসেম্বর) দিনগত রাত ২টার দিকে দুর্বৃত্তরা বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ভাঙচুর করে। পরে ঘটনাস্থলে থাকা সিসিটিভির ফুটেজ সংগ্রহ করে পুলিশ। পরদিন শনিবার (৫ ডিসেম্বর) দিবাগত রাতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে কুষ্টিয়ার জুগিয়া এলাকার একটি মাদ্রাসার দুই ছাত্র এবং তাদের সহযোগিতা করার জন্য দুই শিক্ষককে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত