পাচারের টাকায় বিদেশে যারা বাড়ি করেছেন তাদের পরিচয় জানতে চায় হাইকোর্ট

আপডেট : ১৭ ডিসেম্বর ২০২০, ০৮:২৬ পিএম

বিদেশে অর্থপাচার করে যারা কানাডা, সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়ায় বাড়ি কিনেছেন তাদের নাম ও ঠিকানা জানতে চেয়েছে হাইকোর্ট। তাদের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে তাও জানতে চেয়েছে হাইকোর্ট।

এ ছাড়া আদালত দুর্নীতি দমন কমিশন ও সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে ২৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে আলাদা প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট।

বৃহস্পতিবার বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি আহমদ সোহেলের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ নির্দেশনার পাশাপাশি এ বিষয়ে আরো শুনানি ও আদেশ দেওয়ার জন্য ২৮ ফেব্রুয়ারি তারিখ নির্ধারণ করেন।

গত ২২ নভেম্বর হাইকোর্টের একটি স্বপ্রণোদিত রুলের ভার্চুয়াল শুনানিতে এ সব জানায় হাইকোর্ট বেঞ্চ।

শুনানি চলাকালে অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন আদালতকে বলেন, সরকার অর্থ পাচারকারীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নিচ্ছে এবং তারা যে সব দেশে বাড়ি কিনছে, সেখানকার কূটনৈতিক কার্যালয়ের কাছে এ বিষয়ে তথ্য চেয়েছে। তথ্যগুলো পেতে সরকারের সময় লাগবে।

এ সময় দুদক আইনজীবী খুরশিদ আলম খান বেঞ্চে একটি প্রতিবেদন জমা দেন। তিনি আদালতকে বলেন, বিদেশে অর্থ পাচারের অভিযোগে ক্যাসিনো সম্রাট সেলিম প্রধান, ইসমাইল হোসেন সম্রাট ও খালেদ মাহমুদসহ শতাধিক ব্যক্তির বিরুদ্ধে দুদক মামলা করেছে। তাদের বিরুদ্ধে মামলা বিচারাধীন।

তিনি বলেন, পারস্পরিক সহায়তা আইনের মাধ্যমে দুদক ও সরকার বিদেশ থেকে পাচারকৃত প্রায় ৭০ কোটি টাকা ফিরিয়ে এনেছে।

এ ছাড়া দুর্নীতির অভিযোগে বিএনপির সাবেক মন্ত্রী মওদুদ আহমদ, খন্দকার মোশাররফ হোসেন ও এম মোর্শেদ খান এবং ব্যবসায়ী মোসাদ্দেক আলী ফালু ও গিয়াস উদ্দিন আল মামুনের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থার কথাও তিনি উল্লেখ করেন।
এর আগে গত ২২ নভেম্বর বেঞ্চ বিদেশে অর্থ পাচার বন্ধের আদেশ জারি করেন এবং গোয়েন্দা সংস্থাকে অর্থ পাচার বন্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন।

 

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত