মেয়াদ শেষের পর জনপ্রতিনিধিদের ক্ষমতায় থাকা বন্ধে আইন হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার বিভাগের সিনিয়র সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ। বিরোধী দলের মেয়ররা ক্ষমতায় থাকার জন্য জটিলতা সৃষ্টি করছেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
তিনি বলেন, ‘পৌরসভা এলাকা সম্প্রসারণ নিয়ে হাইকোর্টে একের পর এক রিট দায়েরের কারণে মেয়াদ উত্তীর্ণের সাত বছর পেরিয়ে গেলেও এখানে (শ্রীমঙ্গল পৌরসভার) নির্বাচন করা যায়নি। দেশের যেসব পৌরসভায় বিরোধী দলের মেয়ররা দায়িত্বে রয়েছেন, দেখা গেছে সেসব পৌরসভার মেয়ররা ক্ষমতায় থাকার জন্য জটিলতা সৃষ্টি করছেন। মেয়াদ শেষ হলে আর কোনো জনপ্রতিনিধি ক্ষমতা আঁকড়ে থাকতে পারবেন না। এ জন্য আইন সংশোধন করা হবে। যাতে করে মেয়াদ শেষে জনপ্রতিনিধিরা প্রশাসকের কাছে দায়িত্ব হস্থান্তর করতে পারেন’।
শনিবার সকাল ১১টায় মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে স্থানীয় জেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব বলেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নজরুল ইসলামের সঞ্চালনায় শ্রীমঙ্গল উপজেলার সরকারি কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও সুধী সমাজের প্রতিনিধিদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় প্রধান আলোচকের বক্তব্যে স্থানীয় সরকার বিভাগের সিনিয়র সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ এসব বলেন।
তিনি আরো বলেন, ‘পৌরসভার পরিধি সম্প্রসারণ একটি দীর্ঘ প্রক্রিয়া। মেয়াদোত্তীর্ণ পৌরসভায় বিরোধীদলীয় মেয়ররা মিথ্যা ও ভিত্তিহীন মামলা দিয়ে নির্বাচন অনুষ্ঠানে জটিলতা সৃষ্টি করছেন। সে জটিলতায় শ্রীমঙ্গলসহ দেশের ১টি পৌরসভার নির্বাচন আটকে আছে। এসব জটিলতা নিরসনে শীঘ্রই আইন তৈরি হচ্ছে’।
সিলেটের বিভাগীয় কমিশনার এনডিসি মশিউর রহমানের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি উপস্থিত ছিলেন শ্রীমঙ্গল-কমলগঞ্জ সংসদীয় এলাকার সংসদ সদস্য উপাধ্যক্ষ ড. মো. আব্দুস শহীদ।
বিশেষ অতিথি ছিলেন মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসক মীর নাহিদ আহসান, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মিছবাহু রহমান, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জাকারিয়া, শ্রীমঙ্গল উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান (ভারপ্রাপ্ত) প্রেম সাগর হাজরা, শ্রীমঙ্গল পৌরসভার মেয়র মহসিন মিয়া মধু প্রমুখ।
