চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার কুমুমপুরা ইউনিয়নে ভাতিজার ছুরিকাঘাতে চাচা আবুল কালাম (৫০) নিহত হওয়ায় ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় চাচি ফাতেমা বেগম (৩৫) গুরুতর আহত হয়ে চমেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
বুধবার সকাল এগারোটার দিকে ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডের পানওয়ালা পাড়ায় এ ঘটনা ঘটে।
জানা যায়, চলাচলের জায়গায় একটি ঝুড়ি রাখাকে কেন্দ্র করে চাচা আবুল কালাম ও তার বড় ভাই আবু মুছার সাথে কথা-কাটাকাটি বাঁধে। এর একপর্যায়ে নিহতের বড় ভাইয়ের ছেলে সৌরভ (২৫) চাচা আবুল কালামের পেটে উপর্যুপরি বুকে পেটে ছুরিকাঘাত করে। এ সময় তার স্ত্রী ফাতেমা বেগম বাধা দিলে তাকেও একই ভাবে ছুরিকাঘাত করে ঘাতকরা সপরিবারে পালিয়ে যায়।
গুরুতর আহত অবস্থায় তাদেরকে স্থানীয়রা উদ্ধার করা চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসলে চিকিৎসকরা আবুল কালামকে মৃত ঘোষণা করেন এবং তার স্ত্রী ফাতেমা বেগমকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। নিহত আবুল কালাম মৃত আহমদ জালালের পুত্র।
চমেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আলাউদ্দীন তালুকদার বলেন, পারিবারিক সম্পত্তি নিয়ে ছোট ভাই আবুল কালামের সঙ্গে বড় ভাই আবু মুসার বিরোধ সৃষ্টি হয়। বুধবার সকালে তারা বাগ্বিতণ্ডায় জড়ান। একপর্যায়ে আবুল কালামকে বুকের ডান পাশে এবং স্ত্রী ফাতেমা আক্তারকে ছুরিকাঘাত করা হয়।
তিনি বলেন, সকাল সাড়ে ১১টার দিকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে আনা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক আবুল কালামকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত ফাতেমা আক্তারের অবস্থা গুরুতর। মরদেহ মর্গে পাঠানো হয়েছে।
পটিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রেজাউল করিম মজুমদার বলেন, আমরা খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানতে পারলাম তাদের দুই ভাইয়ের মধ্যে বসতভিটার চলাচলের জায়গায় একটি ঝুড়ি রাখাকে কেন্দ্র করে এ হত্যাকাণ্ডটি ঘটেছে। এ ঘটনায় ঘাতকের পুরো পরিবার পালিয়ে গেছে। আমরা কাউকে আটক করতে পারিনি। তবে এখনো পর্যন্ত নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে কেউ অভিযোগ করেনি। আমরা অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেব। তবে লাশ এখনো চমেক হাসপাতালের মর্গে আছে ময়নাতদন্তের জন্য।
