নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের বসুরহাটে এখনো কার্যত থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। রাজনৈতিক অস্থিরতায় মানুষজনের আতঙ্ক এখনো কাটেনি।
বসুরহাটের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সেখানে মোতায়েন করা তিন শতাধিক পুলিশ ও র্যাবের সদস্য নিয়মিত টহল দিচ্ছেন।
এ ছাড়া আছেন প্রশাসনের একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে বসুরহাটে অবস্থান করছেন চট্টগ্রাম রেঞ্জের একজন পুলিশ সুপারসহ জেলা পুলিশের বেশ কয়েকজন সিনিয়র কর্মকর্তা।
বৃহস্পতিবার জেলা শহর মাইজদী থেকে গ্রেপ্তার করা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বাদলকে পুলিশের ওপর হামলার মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি জাহেদুল হক রনি।
আজ শুক্রবার মিজানুর রহমান বাদলকে নোয়াখালীর ১নং আমলি আদালতে হাজির করা হলে আদালতের বিচারক শোয়াইব উদ্দিন খান, মিজানুর রহমান বাদলকে জেলহাজতে প্রেরণের নির্দেশ দেন।
মঙ্গলবার গুলিতে নিহত আলাউদ্দিনের ছোট ভাই এমদাদ হোসেন ওরফে রাজু বৃহস্পতিবার রাতে কাদের মির্জাকে প্রধান আসামি করে একটি লিখিত অভিযোগ নিয়ে থানায় নিয়ে যান।
এজাহারে ত্রুটি থাকায় পুলিশ এজাহার গ্রহণ করেনি বলে এমদাদ সাংবাদিকদের জানান। বর্তমানে তিনি থানাতেই অবস্থান করছেন।
এর আগে এজাহারে সমস্যা থাকায় মামলা নেয়া হয়নি বলে জানিয়েছিলেন পুলিশ সুপার মো. আলমগীর হোসেন।
এদিকে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা খিজির হায়াত খানের ওপর হামলার ঘটনায় মামলা করছেন তার সহধর্মিণী আরজুমান পারভীন।
তিনি বলেন, আমি এসপি সাহেবকে জানিয়েছি। ওসি সাহেব থানায় আসলে মামলা গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছেন পুলিশ সুপার আলমগীর হোসেন।
