সিঙ্গাপুর থেকে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদের মরদেহ দেশে এসে পৌঁছেছে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তার মরদেহ এসে পৌঁছায়।
শুক্রবার হাইকোর্ট, দলীয় কার্যালয় এবং নোয়াখালীতে কয়েকটি জানাজার কর্মসূচি আছে বলে জানায় বিএনপি সূত্র। তবে সংসদের দিক্ষণ প্লাজায় জানাজার অনুমতি পাওয়া যায়নি বলে জানা গেছে।
তার পরিবার জানায় ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদের জানাজার জন্য অনুমতি চেয়েও তা পায়নি তার পরিবার। করোনার কারণ দেখিয়ে জানাজার অনুমতি দেওয়া হয়নি বলে জানিয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসনের মিডিয়া উইং কর্মকর্তা শায়রুল কবির খান।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টা ১ মিনিটে মওদুদের মরদেহ একটি ট্রলিতে করে বিমানবন্দরের বাইরে আনা হয়। এরপর তার মরদেহ ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, নজরুল ইসলাম খান, ভাইস চেয়ারম্যান ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, মো. শাহজাহান, বরকত উল্লাহ বুলু, যুগ্ম মহাসচিব ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকনসহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।
পরে একটি এ্যাম্বুলেন্সে তার মরদেহ ইউনাইটেড হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে হিমঘরে তাকে রাখা হবে বলে বিএনপি সূত্র জানায়।
দলীয় সূত্র জানায়, শুক্রবার সকালে হাইকোর্ট প্রাঙ্গণে জানাজা শেষে মওদুদ আহমদের মরদেহ নেয়া হবে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে। সেখানে দলের নেতাকর্মীরা তার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন। এরপর মরদেহ হেলিকপ্টারে নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে নেয়া হবে। দুপুর দেড়টায় নোয়াখালীর কবিরহাট ডিগ্রি কলেজ মাঠে দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। বিকেল ৪টায় বসুরহাট কোম্পানীগঞ্জ সরকারি মুজিব মহাবিদ্যালয় মাঠে এবং সাড়ে ৫টায় মরহুমের নিজ বাসভবনের সামনে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে বাবা-মায়ের কবরের পাশে দাফন করা হবে।
বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও সংসদের সাবেক বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ জয়নুল আবেদিন ফারুক সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমি বুধবার সাড়ে ৯টায় পরিবারের পক্ষ থেকে সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় জানাজা অনুষ্ঠানের জন্য লিখিত আবেদন করি। সংসদের বর্তমান চিফ হুইপ আমাকে কোভিড ইস্যু দেখিয়ে ফোনে অপারগতা জানিয়েছেন।’
বুধবার রাতে সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে মারা যান মওদুদ আহমদ।
