সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ইব্রাহিম খলিল তাকে ধরে নিয়ে নির্যাতনের যে অভিযোগ করেছেন, সেটাকে মিথ্যা ও উসকানিমূলক বলছে র্যাব। গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) বলেছে, র্যাব সদস্যদের মারধর ও সরকারি কাজে বাধাদান করায় ঘটনাস্থল থেকেই তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণ থেকে গ্রেপ্তার করার দাবি ভিত্তিহীন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে ইব্রাহিম খলিল তার ওপর অত্যাচারের যে বর্ণনা দিয়েছেন, তা ‘কাল্পনিক ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ বলেও দাবি করা হয়েছে র্যাবের ওই বিজ্ঞপ্তিতে। র্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আশিক বিল্লাহর পক্ষে বিজ্ঞপ্তিটি পাঠান সহকারী পুলিশ সুপার আ ন ম ইমরান খান।
বিজ্ঞপ্তিতে র্যাব জানায়, গত ১১ মার্চ বিকেলে র্যাব-১০ এর সিপিসি-৩ লালবাগ ক্যাম্পের একটি দল চকবাজার এলাকায় কর্তব্য পালনকালে এবিএম ইব্রাহিম খলিলসহ তার সহযোগীদের হামলার মুখে পড়েন। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় ইব্রাহিম খলিলকে আটক করা হয়। ওই রাতেই তাকে চকবাজার মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়। ১২ মার্চ ইব্রাহিম খলিলের একটি বক্তব্য ফেইসবুকে ভাইরাল হয়। ওই দিন চকবাজার থানা পুলিশ এই আইনজীবীকে নিম্ন আদালতে হাজির করে। সে সময় উপস্থিত লোকজনকে তিনি বলেন, তৃতীয় পক্ষের ইন্ধনে র্যাব সদস্যরা তাকে গ্রেপ্তার ও মারধর করেছেন। এ ঘটনায় গত রবিবার প্রতিবাদ সমাবেশ করেন আইনজীবীরা। ফৌজদারি মামলা করারও হুমকি দেন তারা। ওই দিনই জামিনে মুক্তি পান ইব্রাহিম খলিল।
র্যাবের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণ থেকে ইব্রাহিম খলিলকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। তাকে ১১ মার্চ বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার জন্য চকবাজার থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ বিষয়টির পক্ষে র্যাবের কাছে উপযুক্ত সাক্ষী ও প্রযুক্তিগত তথ্য-প্রমাণ আছে।
