কক্সবাজারের উখিয়ার কুতুপালং বাজারে আগুন লেগে তিন রোহিঙ্গা দোকান কর্মচারী নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও বেশ কয়েকজন, পুড়ে গেছে সাতটি দোকান। গতকাল শুক্রবার ভোরে রাজাপালং ইউনিয়নের রোহিঙ্গা ক্যাম্পসংলগ্ন বাজারে ওই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে উখিয়া ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
নিহতরা হলেন উখিয়ার ১০ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের জি-১০ ব্লকের বাসিন্দা সৈয়দ আলমের ছেলে আনছার উল্লাহ (২০), মোস্তফার ছেলে ফরিদুল ইসলাম (২৫) ও রেজাবুলের ছেলে আয়াছ (২২)। তারা আগুনে পুড়ে ঘটনাস্থলেই মারা গেছেন।
উখিয়ার কুতুপালং বাজার কমিটির সভাপতি ও স্থানীয় ইউপি সদস্য হেলাল উদ্দিন জানান, ভোরে কুতুপালং বাজারে আগুন লাগার খবর পেয়ে তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে স্থানীয়দের সহায়তায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন। পরে উখিয়া ফায়ার সার্ভিসের সহায়তায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। আগুনে সাতটি কাপড়ের দোকান সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে এবং আরও ১০-১২টি দোকান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলেও জানান তিনি।
উখিয়া ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন ইনচার্জ ইমদাদুল হক জানান, কুতুপালং বাজারে আগুন লাগার খবর পেয়ে তাদের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এ সময় দগ্ধ অবস্থায় তিনটি মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে তাদের রোহিঙ্গা দোকান কর্মচারী বলে শনাক্ত করা হয়।
ফায়ার সার্ভিসের এ কর্মকর্তা দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে তদন্ত না করে অগ্নিকাণ্ডের কারণ নিশ্চিত করে বলা সম্ভব নয়।’ উখিয়ার কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ইনচার্জ জানান, অগ্নিকাণ্ডের পর থেকে ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। এর আগে গত ২২ মার্চ বালুখালী রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরের চারটি ক্যাম্পে আগুন লাগে। প্রায় সাত ঘণ্টা পর সেই আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। এতে পুড়ে মারা যায় শিশুসহ ১১ রোহিঙ্গা।
