টেলিফোনে তার সেই খিলখিল হাসি সবার কানে গেছে: খালেদা জিয়া প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী

আপডেট : ০৪ এপ্রিল ২০২১, ০৭:২৪ পিএম

স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ সফরের বিরোধিতার সমালোচনা করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

প্রধানমন্ত্রী এবং সংসদ নেতা শেখ হাসিনা রবিবার অপরাহ্নে একাদশ জাতীয় সংসদের দ্বাদশ অধিবেশনের সমাপনী ভাষণে ১৯৯১ সালের ২১ মে ভারতের প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী রাজিব গান্ধীর মৃত্যুবরণের পর বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়া প্রসঙ্গে একটি ঘটনার উল্লেখ করেন।

তিনি বলেন, রাজিব গান্ধীর অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় আমরা যোগদান করেছিলাম তখন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন বেগম খালেদা জিয়া। অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় যোগ দিতে বিশ্বের বিভিন্ন রাষ্ট্র থেকে প্রায় সবাই এসেছিলেন। আমেরিকা থেকে, ব্রিটেন থেকে- প্রিন্স চার্লস, ইয়াসির আরাফাতসহ সবাই উপস্থিত। ফিলিস্তিন প্রধানমন্ত্রী ইয়াসির আরাফাত বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে দেখে হ্যান্ডশেক করার জন্য হাত বাড়ালে খালেদা জিয়া হাত গুটিয়ে বসে থাকলেন। কিন্ত সেই খালেদা জিয়াকে দেখলাম মোদির সঙ্গে হ্যান্ডশেক করার ছবি। সেই হাত যেন আর ছাড়ে না। শুধু তাই না তার সঙ্গে টেলিফোনে তার যে সেই খিলখিল হাসি। তার যে হাসির আওয়াজ সেটাও তো সবার কানে গেছে। 

প্রধানমন্ত্রী এ সময় পুনরায় প্রশ্নের তীর ছুঁড়ে দেন বেগম খালেদা জিয়া দিকে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের সুবর্ণজয়ন্তীতে মোদি আসবেন তখন বাধা দেওয়া হয় এবং হেফাজতের সঙ্গে হাত মেলানো কেন? কী ঘটনা ঘটিয়েছে তারা। যখন স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী পালন করছি তখন শুরু করল হেফাজতের তাণ্ডব। হেফাজত তো একা নয় হেফাজতের সঙ্গে জামায়াত-বিএনপিও জড়িত। তাদের প্রত্যেকটা কর্মকাণ্ডে দেখা যায়। হেফাজতের সবাই যে এরমধ্যে জড়িত তাও কিন্ত না। এটাও বাস্তবতা। তারপরও দেখেছি ২৬ মার্চ হেফাজত একটা গুজব ছড়াল বায়তুল মোকাররমে মানুষ মারা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, তারা ২৬ মার্চ থেকে ৩১ মার্চ পর্যন্ত যে সহিংসতা চালায় এবং ২৭ ও ২৮ মার্চ হেফাজত এবং বিএনপি জামায়াতের বিবৃতি দেশবিরোধী ষড়যন্ত্রের ধারাবাহিক অংশ। ২৮ মার্চ হরতাল দিয়ে সারাদেশে পরিকল্পিতভাবে তারা তাণ্ডব চালায়। আওয়ামী লীগ অফিস দলীয় নেতাকর্মীদের বাড়ি-ঘর সরকারি অফিস আদালত পরিবহনে হামলা ও ভাঙচুর এবং পোড়ানো হয়।

খবর: বাসস।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত