কুষ্টিয়া পৌরসভায় পরিচ্ছন্নতার কাজে দিনমজুরির (নো-ওয়ার্ক নো-পে পদ্ধতি) ভিত্তিতে নিয়োজিত কর্মীরা মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে কর্মবিরতি পালন করেছেন। গতকাল মঙ্গলবার সকাল ৬টা থেকে পৌরসভার প্রধান ফটকের সামনে তারা কর্মবিরতি শুরু করেন। ফলে পৌর এলাকার ২১টি ওয়ার্ডে বর্জ্য অপসারণ বন্ধ রয়েছে।
এ সময় শ্রমিকরা বলেন, কুষ্টিয়া পৌরসভার ২১টি ওয়ার্ডে পরিচ্ছন্নতার কাজে ৩৭০ জন কর্মী দিনমজুরির ভিত্তিতে কাজ করেন। যেসব কর্মী ড্রেন পরিষ্কার করেন তাদের মজুরি হিসেবে প্রতিদিন ২৫০ টাকা করে এক মাস পরে দেওয়া হয় ৭ হাজার ৫০০ টাকা। একইভাবে আবর্জনা পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের প্রতিদিনের মজুরি হিসেবে ২৬৬ টাকা হারে এক মাস পর দেওয়া হয় ৮ হাজার টাকা। কাজে অনুপস্থিত থাকলে ওইদিনের কোনো টাকা দেওয়া হয় না।
পরিচ্ছন্নতাকর্মী দেবেন কুমার বলেন, পৌরসভা থেকে প্রাপ্ত এ সামান্য দুই-আড়াইশ টাকায় কীভাবে একটা সংসার চলে?
কুষ্টিয়া পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী রবিউল ইসলাম বলেন, দাবি যখন উঠেছে বিষয়টি পৌর কর্তৃপক্ষ অবশ্যই বিবেচনা করবে।
