১৭ বছরে সিসিমপুর

আপডেট : ১৬ এপ্রিল ২০২১, ১১:৩৯ এএম

প্রাক-প্রাথমিক ও প্রাথমিক পর্যায়ের শিশুদের শিক্ষণ প্রক্রিয়াকে আনন্দদায়ক ও উপভোগ্য করার লক্ষ্যে টিভি শো ‘সিসিমপুর’ শুরু হয়েছিল ২০০৫ সালে, বৃহস্পতিবার এ কার্যক্রম ১৬ পেরিয়ে পা রাখছে ১৭ বছরে। প্রথম প্রচারের দিন হিসেবে প্রতি বছর ১৫ এপ্রিলকে ‘সিসিমপুর দিবস’ হিসেবে উদযাপন করা হয়।

বর্তমানে সিসিমপুরের ১৩তম সিজনের প্রচার চলছে। জনপ্রিয় এই অনুষ্ঠানটি তিনটি চ্যানেলে প্রচার হচ্ছে। তবে ষোল বছর টানা এ অনুষ্ঠানের আছে বাংলাদেশ টেলিভিশন। তিন চ্যানেল মিলিয়ে এখন কোটি দর্শক দেখে ‘সিসিমপুর’।

প্রতি বছর অমর একুশে গ্রন্থমেলায় শিশুদের কাছে অন্যতম আকর্ষণের বিষয়ে পরিণত হয়েছে সিসিমপুর। মেলায় প্রতি শুক্র-শনি আর ছুটির দিনগুলোতে সিসিমপুরের চরিত্র ইকরি, হালুম, টুকটুকি আর শিকুর সঙ্গে মজার সময় কাটাতে শিশুদের ঢল নামে। তবে করোনা মহামারির কারণে চলতি বছর এই আয়োজন থেকে বিরত থেকেছে সিসিমপুর। পরিস্থিতির উন্নতি হলে কমিউনিটিভিত্তিক নানা ধরনের কার্যক্রম পরিচালনার পরিকল্পনা রয়েছে তাদের। 

নির্মাতা প্রতিষ্ঠান সিসেমি ওয়ার্কশপ বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ শাহ আলম বলেন, ১৬ বছর ধরে শিশুতোষ এই অনুষ্ঠানটি নির্মিত হচ্ছে তিন থেকে আট বছর বয়সী শিশুর প্রারম্ভিক শিক্ষার চাহিদা পূরণের লক্ষ্যকে সামনে রেখে। সেইসঙ্গে সিসিমপুরের লক্ষ্য শিশুর পিতা-মাতা এবং শিক্ষকরাও। আনন্দ ও খেলার ছলে সিসিমপুর ভূমিকা রেখে চলেছে শিশুর সামগ্রিক বিকাশে।

সঙ্গে জানান, সামনের দিনগুলোতে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, মমত্ববোধ, অভিন্নত্ব ও বৈচিত্র্যের প্রতি শ্রদ্ধাসহ দেশের সকল মানুষের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন করার বিষয়ে আরও গুরুত্ব দেবে সিসিমপুর। 

সিসেমি ওয়ার্কশপ বাংলাদেশ তার সব কার্যক্রমই সরকারি, বেসরকারি ও আন্তর্জাতিক সংস্থার মাধ্যমে যৌথভাবে পরিচালনা করে থাকে। গত ১৬ বছরে সিসিমপুর বাংলাদেশ সরকারের মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করেছে। এর অর্থায়ন ও সহযোগিতায় রয়েছে ইউএসএআইডি।

নিউইয়র্কভিত্তিক সিসেমি স্ট্রিট নামক শিক্ষামূলক টেলিভিশন-ধারাবাহিকের সহপ্রযোজনা সিসিমপুরের কার্যক্রম বাংলাদেশে পরিচালনা করছে সিসেমি ওয়ার্কশপ বাংলাদেশ।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত