স্বাস্থ্য অধিদপ্তর কর্তৃক মেডিকেল কলেজে সমতলের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী কোটায় ভর্তি তালিকায় অনিয়মের অভিযোগ তুলেছেন সমতলের বিভিন্ন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর নেতারা। গতকাল শনিবার দুপুরে মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ তোলা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে মণিপুরী সমাজকল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক কমলাবাবু সিংহ লিখিত বক্তব্যে বলেন, বাংলাদেশে সমতলে বসবাসরত উপজাতি/ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীভুক্ত শিক্ষার্থীদের জন্য সরকারি মেডিকেল কলেজে এমবিবিএস কোর্সে ভর্তির জন্য আটটি সিট বরাদ্দ রাখা হয়েছে। ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে সরকারি মেডিকেল কলেজে ৭৭ নম্বর কোডে সমতলের উপজাতি কোটায় ভর্তির জন্য স্বাস্থ্য অধিদপ্তর যে তালিকা প্রকাশ করে তার অধিকাংশই অ-উপজাতি শিক্ষার্থী। ফলে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকরা এখন হতাশাগ্রস্ত। সরকারের একটি মহৎ উদ্দেশ্য বাস্তবায়ন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ভুলের কারণে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। গত তিন বছর যাবৎ স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এ ধরনের ভুল করার কারণে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর অনেক শিক্ষার্থী মেডিকেল কলেজে ভর্তি হতে বঞ্চিত।
সংবাদ সম্মেলনে তারা সরকারি সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করে সমতলে বসবাসরত ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর উপযুক্ত শিক্ষার্থীদের ভর্তি নিশ্চিত, উপজাতি কোটার ভর্তি তালিকায় অ-উপজাতি শিক্ষার্থীর নাম অন্তর্ভুক্ত না করা, ন্যূনতম ঢাকা মেডিকেল কলেজে একটি, সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজে তিনটি, ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে দুটি সিট বরাদ্দ, এ কোটায় ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীদের মাইগ্রেশনের সুযোগ দেওয়া এবং অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে ভর্তির সুযোগপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের নাম-ঠিকানা প্রকাশ করার দাবি জানান।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন মণিপুরী সমাজকল্যাণ সমিতির সভাপতি আনন্দমোহন সিংহ, বাংলাদেশ মণিপুরী মুসলিম ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (বামডো) সভাপতি নুর উদ্দিন প্রমুখ।
